করোনায় প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান সমৃদ্ধ করণে শিক্ষক আব্দুর রহিম শাওন’র নিরন্তর প্রচেষ্টা

মাহমুদুল হাসান, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু গ্রামের সর্ববৃহৎ বিদ্যাপীঠ তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম শাওন থেমে নেই করোনা মহামারিতে।প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি)অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য ফরিদুল হক এ প্রতিবেদককে জানান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালনে করোনা মহামারিতেও প্রাথমিক শিক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে জনসাধারণের মাঝে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম শাওন’র মূখ্য উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা ও এর গুণগত মান বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের জন্য যা যা করেছে তার চুম্বক অংশ তুলে ধরে তিনি আরো বলেন,আব্দুর রহিম শাওন “মহান আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা রেখেছেন এবং মহান আল্লাহ” একদিন এ অবস্থা দুর করবেন বলে আশা রেখে করোনা কালে মা-বাবার পাশে থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত উপজেলা শিক্ষক সমীতির সভাপতি মাস্টার জহির আহমদ বড় ভাই এবং করোনা আক্রান্ত ছোট ভাই নুরুল বশরের সেবা করেছেন।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় একমাত্র তিনিই সর্ব প্রথম নিজ উদ্যোগে গত বছরের ২০ মার্চ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণের হাতে হাতে করোনার সচেতন মুলক হ্যান্ডবিল বিতরণ করেছেন।লক-ডাউনের প্রথম দিকেই ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে অন্যান্য শিক্ষকসহ করোনা প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিস্কিট কার্যক্রম চালু রেখেছেন।নাইক্ষ্যংছড়িতে অনলাইন প্রাইমারি স্কুল চালু হওয়ার পূর্ব থেকেই অনলাইনে পাঠ দিয়েছেন। সকল জাতীয় দিবস সমূহ সরকারি নির্দেশণা মোতাবেক পালন করেছেন। উঠান বৈঠকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মা’দের সাথে পড়া-লেখা এবং করোনা সচেতনতা প্রদান করেছেন।করোনার কারণে সরকার প্রদত্ত প্রণোদনা ভোগীর তালিকা যাচাই করে, উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপোকরণ বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌছে দিয়েছেন। স্কুল ভবন নির্মাণ কাজ তদারকি,
সপ্তাহে দুদিন করে নিজ হাতে স্কুল আঙ্গিনা পরিষ্কার, শিক্ষকগণের সাথে নিয়মিত স্টাপ মিটিং,
ক্যাচমেন্ট এলাকাকে গুচ্ছ ভাগ করে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের পাঠ পরিচালনা, স্লিপের কাজ শতভাগ বাস্তবায়ন, শুদ্ধাচার কৌশল নিয়ে কাজ, জুম মিটিংএর মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ, বিভিন্ন সামাজিক কাজে সহায়তা ও নিজ উদ্যোগে গরিব মানুষদের সাহায্য করেছেন।
তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের জন্য ডিজিটাল সাইন বোর্ডের ব্যবস্থা, পরিবার পরিকল্পনা সপ্তাহ উদযাপনে উপস্থিত থেকে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বক্তৃতা প্রদান , সমন্বয় সভা গুলোতে নিয়মিত উপস্থিত থেকে বছরের প্রথম দিনই বই বিতরণের আয়োজন করেন।
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সভায় আলোচনা সভায়,এবং কমিটিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে, ক্যাচমেন্ট এলাকার সকল শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চিত করেন।
প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম শাওন বলেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণীসম্পৃক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, আমার বিদ্যালয়টি উপজেলার একমাত্র অষ্টম শ্রেনিমান স্কুল হওয়ায় শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও গ্রহণ করেছি। অষ্টম শ্রেনির শিক্ষার্থীদের বিদায় ও নবম শ্রেনিতে ভর্তির জন্য প্রত্যয়ন প্রদানসহ উপবৃত্তি সুবিধা ভোগির তালিকা প্রণয়ন ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করেছি। আমি এবং আমার সহকারি শিক্ষক নিয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠদান থেকে শুরু করে করোনা সচেতনতা নিশ্চিত করি।
সর্বোপরি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি,অভিবাবক এবং অধ্যায়নরত সকল শিক্ষার্থীরা বলেন, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সর্বাঙ্গীণ কর্মকান্ড বিদ্যালয় ও গ্রামের উত্তরোত্তর সফলতা বয়ে আনব




