sliderস্থানিয়

সালথার সেই চেয়ারম্যানকে শোকজ 

বিধান মন্ডল (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ এমন বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে কারণ দর্শনোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন ইউপি চেয়ারম্যানকে ওই নোটিশ দেন এবং পাঁচ দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় আপনি জনাব মো. রফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদ, সালথা, ফরিদপুরকে “অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব” এ রকম উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। ভিডিও ভাইরালের পর এলাকায় ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্য ও জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। যা স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনের ধারা মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের হানিকর কার্যকলাপে জড়িত থাকা বা অসদাচরণ বা নৈতিক স্খলনজনিত শান্তিযোগ্য অপরাধ।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।  

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ভাইরাল হওয়া ভিডিও বক্তব্য একটি ক্রিমিনাল অফেন্স। এই বক্তব্যর ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শনোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে(ডিসি) অবগত করা হয়েছে। কারণ দর্শনোর নোটিশের (শোকজ) জবাব সন্তোষজনক না হলে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ফরিদপুরে সালথার উজিরপুর বাজারে আয়োজিত একটি সভায় সমর্থকদের অস্ত্র তৈরির নির্দেশ ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে যদুনন্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক মোল্লার বিরুদ্ধে। তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সভায় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব। তবে ওই সময় বিষয়টি অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক মোল্লা দাবি করেন ভিডিওটি এডিট করা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button