মৌলভীবাজারে পাম্প কেনায় ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ

মৌলভীবাজারে একটি প্রকল্পে ৮টি পাম্পের মূল্য দেখানো হয় ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা যার প্রকৃত মূল্য পাওয়া যায় ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
এই ৩৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী চৌধুরী নজমুল আলমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
দুদকের হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বুধবার দুদকের হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপ-সহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান মামলা করেন। এই মামলার বাদী দুদক।
‘মনু নদীর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন’ প্রকল্পের আওতায় পাম্প কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে এই মামলার আসামি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিগমা ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেডের এমডি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৈয়দ আরশেদ রেজা এবং জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী আব্দুস সালামকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্য প্রকৃত দামের চেয়ে বেশি দামে পাম্প কিনেছেন। অনুসন্ধানে ৮টি পাম্পের প্রকৃত মূল্য পাওয়া যায় ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। অথচ বিল হিসেবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সরকার থেকে আদায় করেছে ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।’
এতে সরকারের ৩৪ কোটি ৪২ লাখ সতের হাজার একশ ছিয়ানব্বই টাকা বিশ পয়সা ক্ষতি হয়েছে।
তারা দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
উল্লেখ্য, মামলার আগে দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দুদক।




