Uncategorized

ভোগান্তির আরেক নাম নবাবগঞ্জের ঘোষাইল টু ধূলশুড়া সড়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি : ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভোগান্তির আরেক নাম ঘোষাইল টু ধূলশুড়ার রাস্তাটি।সেই প্রাচীন আমলের রাস্তাটির মাঝে কোন রকমে কিছু ইট সোলিং এর কাজ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এ রাস্তাটি নতুন করে সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি খানা-খন্দ ও বেহাল দশা ও মানুষের মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।এ কারনে এ অঞ্চলের সকল মানুষ ভোগাম্তি পোহাচ্ছে।
বিশেষ করে কোন মানুষ মূমুষূু হলে তাকে গাড়িতে করে যাতায়াতের কোন অবস্হা পর্যন্ত থাকেনা।কখনোবা রোগী উপজেলা হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেই রাস্তায় মারা যায়।আবার কখনো আরঘোষাইল – রায়পুর ব্রিজের ঢালে অটোগাড়ি উল্টে বেশ কয়েকবার খাদে পড়ে মানুষ আহত হওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় যে ” অনেক প্রতিক্ষিত এই রাস্তাটি জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্থ করেছে, যার ফলে বর্ষার সামান্য পানিতে রাস্তা ডুবে যাওয়ায় তারা যাতায়াতের অসুবিধার কারনে বেরিবাঁধের পূর্বাঞ্চলের মানুষের সাথে সার্বিক উন্নয়নে টিকে থাকতে ব্যর্থ হচ্ছে।এভাবে এ অঞ্চলের মানুষ যাতায়াতের ব্যবস্হার অসুবিধার কারনে পিছিয়ে পড়ছে সর্বক্ষেত্রে।
জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সুযোগ্য চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান (মাসুদ) এ রাস্তাটি সম্পর্কে বলেন, ” এ রাস্তাটির জন্য আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তবে সরকারের এল, জি, আর, ডি মন্ত্রনালয়ের কর্তৃপক্ষ যদি সহযোগিতা করে, তাহলে এ রাস্তাটি নতুন করে( আর-সি ঢালাই) নির্মাণ করা সম্ভব হবে।উপজেলা প্রকোশৌলী এবং পিডি বিষয়টি অবগত আছেন। এ রাস্তাটি ইতিমধ্যে RC STIMATE করা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব ঝিল্লুর আহমেদ ( ঝিলু) ও এমপি মহোদয় জনাব সালমান এফ রহমান কে অবগত করা হয়েছে। এ রাস্তাটি দরপএ আহবান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
তার এ প্রচেষ্টাকে এলাকাবাসী স্বাগত জানিয়েছেন।
তবে জয়কৃষ্ণপুর পশ্চিম এলাকার ভুক্তভুগী মানুষের শেষ প্রতিক্ষার অবসান কবে হবে সেটাই একমাত্র দেখার মূখ্য বিষয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button