
স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর: যশোরের কেশবপুরে মেয়ে দীপ্তি অধিকারীর হাতে খুন হয়েছেন মা গৌরী রানী।
সোমবার গভীর রাতে কেশবপুর পৌরসভার সাহাপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করাসহ ঘাতক মেয়েকে আটক করেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,কেশবপুর পৌরসভার সাহাপাড়া এলাকার মৃত কালিপদ অধিকারীর স্ত্রী গৌরী রানীর (৭৫) বাড়িতে ৩/৪ দিন আগে পাশের মনিরামপুরের নাগরঘোপ এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মেয়ে মৃত তরুণ অধিকারীর স্ত্রী দীপ্তি অধিকারী (৫০) বেড়াতে আসেন। দীপ্তি অধিকারী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় সোমবার রাতে বিবস্ত্র অবস্থায় বাড়ির আঙ্গিনায় চলাফেরা করছিল। মঙ্গলবার সকালে দীপ্তি অধিকারীকে শ্বশুরবাড়িতে নেওয়ার জন্য তার দেবর পবিত্র অধিকারী (৫৬) ওই বাড়িতে আসেন। এ সময় তিনি বাড়ির দোতালায় উঠে দেখেন তার ভাবির মা গৌরী রানী মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ ছাড়া দীপ্তি অধিকারী পাশেই বাথরুমে বিবস্ত্র অবস্থায় বসে আছে। এলাকাবাসীর ধারণা, সোমবার রাতে দীপ্তি তার মায়ের সাথে থাকাকালীন সময়ে তরকারি কাটা বটির আছাড় দিয়ে তার মায়ের কপালে ও মাথার পিছনে আঘাত করলে রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। মরদেহের পাশেই বটির আছাড়ের অংশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরাদেহ উদ্ধার করাসহ ঘাতক মেয়েকে আটক করা হয়েছে। মৃতদেহের পাশ থেকে তরকারি কাটা বটির অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক দীপ্তি অধিকারী একজন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



