Uncategorized

মানিকগঞ্জে কিশোরীদের বয়:সন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক গল্পের আসর

মানিকগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা : ’গ্রামীণ নারীই কোভিডসহ সকল ধরনের দুর্যোগে সহনশীলতা বির্নিমাণ করতে পারে”। এবারে এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দুনিয়াতেই সরকারি বেসরকারিভাবে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশেও সরকারি বেসরকারিভাবে উক্ত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্নমুখীণ স্লোগান যুক্ত করে পালন করছে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস।
মানিকগঞ্জ সিংগাইর অঞ্চলের আলোর দিশারি কিশোরী ক্লাব ও আজিমপুর নারী উন্নয়ন সমিতির যৌথ আয়োজনে এবং বারসিক এর সহযোগীতায় গ্রামীণ নারী দিবসে নারীদের করোনাকালীন অভিজ্ঞতা নিয়ে গল্পের আসর ও কিশোরীদের বয়:সন্ধিকালীন সমস্যা ও স্বাস্থগত ঝুকি মোকাবেলায় গতকাল দুপুর থেকে সন্ধা পর্যন্ত গল্পের আসর ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
গল্পের আসর এবং কর্মশালায় আলেয়া বেগম ও স্বর্ণা আক্তারের সভাপতিত্ত্বে করোনা মোকাবেলার গল্প ও কর্মশালায সহয়কের ভূমিকা পালন করেন সিংগাইর উপজেলা পরিবার পরিকল্পপনা অধিদÍরের পরিবার পরিকল্পনা সহকারি জনাব জেসমিন
সুলতানা,ধারনাপত্র পাঠ করেন বারসিক প্রকল্প সহায়ক রিনা আক্তার, গল্পের আাসরে কোভিড মোকাবেলা সহ নারীর জীবনের বয়:সন্ধিকালীন সমস্যা মোকাবেলা বিষয়ক গল্প নিয়ে আসেন জনাব রাবেয়া আক্তার,গুলবাহার বেগম, রুবিনা আক্তার
প্রমুখ। এছারাও প্রশ্নমুলক মুক্ত আলোচনায় কিশোরীদের মধ্যে অংশগ্রহন করেন সোনিয়া আক্তার,বর্ষা আক্তার, অন্তরা আক্তার, নাছরিন আক্তার,বারসিক প্রকল্প সহায়ক আছিয়া আক্তার প্রমুখ।
আলোচকরা বলেন কোভিড বা করোনার নাম আমরা এই বছর প্রথবার জীবনে শুনলাম। প্রথমঅবস্থায় যতটা শারিরিকের চেয়ে মানসিক দুশ্চিন্তায় ছিলাম এখন অত চিন্তা ও ভয় লাগে না। ঠান্ডা সর্দি কাশি থেকে যক্ষা ও নিউমোনিয়া হয়। এই রোগ
আগেও ছিলো। এখন বাতাস বেশি দুষিত হওয়ার ফলে আক্রান্ত বেশি হয়। মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। যত্রতত্র এন্টোবায়েটিকের ব্যবহার ও রাসায়নিক বিশ কিটনাশক হাইব্রিট ব্যাবহাওে মানুষের জীবনিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে।
কিশোরীরা আরো দুর্বল তারা তাদের মাসিক বা ঋতুক্রিয়া ঠিকমত মোকাবেলা করতে পারছে না, অনিয়মিত জীবন যাবন,প্রযুক্তি আসক্তি,সময়মত না খাওয়াসহ নানা কারনে নিয়মিত মাসিক হচ্ছে না বা মাসিক হলেও সময়মত সারছে না এটিই সাধারনত বয়:সন্ধিকালীন সমস্যা। এই সমস্যা মোকবেলা করতে বাড়িতে মা,ফুফু,কাকী,ভাবীসহ বড় বোনদের সাথে খোলামেলা শেয়ার করতে হবে এবং যে কোন সমস্যায় স্বাস্থ্যকর্মীরদের সহযোগীতা নিতে হবে। তাই আমরা স্লোগানে বলি- নারী পুরষে পুষ্টিগত বৈষম্য হ্রাস করি, স্বাস্থগত ঝুকি মোকাবেলা করি’।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button