ধেয়ে আসছে আম্ফান: আশ্রয় কেন্দ্রে গাদাগাদি ঠেকাতে ব্যবস্থা

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। এরইমধ্যে বেড়েছে বিপদ সংকেত। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। তবে কক্সবাজারের উপকূলীয় কয়েকটি এলাকায় রবিবার রৌদ্রজ্জ্বল আকাশে ছিল তীব্র গরম। রাতের আকাশও পরিষ্কার ছিল। সোমবার সকালও একই রকম রয়েছে পরিস্থিতি।
তবে বসে নেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন কর্মকর্তারা। বিপদ সংকেত দেখানো জেলাগুলোতে এরইমধ্যে প্রশাসনের উদ্যোগে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত করাসহ স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করার মতো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হয়েছে প্রয়োজনীয় বৈঠকও।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, চলমান বিশ্ব মহামারি করোনার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ সম্পর্কিত সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায়ও প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলার উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্র। দুর্যোগ তাড়িত লোকজন যেন গাদাগাদিতে না থাকে সেজন্য নিয়মিত আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও লোকজন রাখার জন্য তৈরি রাখা হচ্ছে। জেলার সকল স্থানে থাকা রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিবি টিম এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের রেসকিউ টিমগুলোকে তৈরি রাখা হয়েছে যেন স্বল্প নোটিশে উপকূলের লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে আসা যায়। সম্ভাব্য দুর্যোগ তাড়িত মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত সহায়তাও মজুদ রাখা হয়েছে। আসছে নতুন বরাদ্দও।
ডিসি জানান, এ সংক্রান্ত দুটি জুম মিটিং রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে। সকল উপজেলার ইউএনও এবং সরকারি কর্মকর্তাদের স্ব স্ব কর্মস্থলে থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তীরের কাছাকাছি অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে মাছ ধরার নৌযানগুলোর।
ইত্তেফাক




