sliderস্থানিয়

মানিকগঞ্জে এসএসসিতে পাশের হার ৬১ শতাংশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬০ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জেলায় মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হারে জেলার সাত উপজেলার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সিংগাইর। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা।

সোমবার (১০ আগস্ট) মানিকগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত উপজেলাভিত্তিক ফলাফলের পরিসংখ্যান সারণি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে পাসের হারে সবচেয়ে ভালো করেছে সিংগাইর। এ উপজেলায় ২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৫৯৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯ জন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ৯৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৫৯০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় জেলার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সদর উপজেলা। এ উপজেলায় ২০২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

হরিরামপুর উপজেলায় ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ২৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।

সাটুরিয়া উপজেলায় ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৪৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯০৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ জন।

ঘিওর উপজেলায় ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮০২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন।

শিবালয় উপজেলায় ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৭৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৭৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ জন।

অন্যদিকে, পাসের হারে জেলার সাত উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে দৌলতপুর। এ উপজেলায় ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ১৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫১ দশমিক ০৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারে সিংগাইর, আর জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা শীর্ষে। জেলার মোট ৪০২ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০২ জনই সদর উপজেলার।

গত বছর জেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৫ শতাংশ। সে তুলনায় এবার সামগ্রিক পাসের হার বেড়েছে।

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমির হোসেন মাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতনতার কারণে এ বছর ফলাফলে উন্নতি হয়েছে। আগামীতে এ ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ফলাফলে আরও উন্নতি করার প্রত্যাশা করেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button