sliderরাজনীতিশিরোনাম

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুতে এবি পার্টির গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ

পতাকা ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মানফুয়া এলাকায় গতকাল ৯ আগস্ট ২০২৬ এ একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

এক যৌথ শোকবার্তায় তারা বলেন, জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়ে ১৭ জন বাংলাদেশির এমন করুণ মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা এসব প্রবাসী কর্মীর অকালে চলে যাওয়া শুধু তাদের পরিবারের জন্য নয়, গোটা জাতির জন্যই এক অপূরণীয় ক্ষতি।
নিহতদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১০ জন এবং নাটোরের ৭ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের স্বজনদের কান্না ও অনিশ্চয়তার এই সময়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। অথচ বিদেশের মাটিতে তাদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। একজন বাংলাদেশি শ্রমিক যেন শুধু বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত না হন,তার জীবন ও নিরাপত্তারও সমান মূল্য রয়েছে।

তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিহতদের মরদেহ সর্বোচ্চ দ্রুততার সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনা, প্রত্যেক পরিবারকে যথাযথ আর্থিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিদেশে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মস্থল, আবাসন ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ আছে কি না,তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাস ও মিশনগুলোকে নিয়মিত তদারকি করতে হবে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

শোকবার্তায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, প্রবাসে দেশের জন্য ঘাম ঝরানো এই মানুষগুলোর স্বজনদের কান্না যেন রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলতার ঘাটতিতে আরও দীর্ঘ না হয়। এই শোকের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button