
বাদল খান : ১৯৬২ সনে নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্ঠাতা,পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ২ বার সাধারন সম্পাদক, ১৯৬৯ সনে আওয়ামী লীগের শ্রমিক সংগঠন গড়ে তুলেন, যার নাম দেন শ্রমিক লীগ, ১৯৬৬ সনে ৬ দফা স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও নেতা, ১৯৬৯ সনে গন-অভ্যুথানের রাজপথের নায়ক, ১৯৭০ সনের নির্বাচনে অনন্য ভূমিকা পালনকারী, ১৯৭১ সনের শুরুতে জয় বাংলা বাহিনী গঠন, স্বাধীনতার পতাকা, ইশতেহার প্রনয়নে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজীব বাহিনীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ১৯৭২ সনে অক্টোবরে সমাজতন্ত্র লক্ষ্য ঘোষনা করে নতুন রাজনৈতিক দল জাসদ প্রতিষ্ঠা করেন। হাজার হাজার কর্মী ও সংগঠকদের নেতা সিরাজুল আলম খান। আমার ও নেতা তিনি।
উনি অসুস্হ হলে শমরিতা হাসপাতালে ভর্তী হন, ওখান থেকে ওনাকে ঢাকা মেডিক্যালে স্হানান্তর করা হয়।
আজ দুপুরে দাদা’কে ICU তে নেয়া হয়। বিকেলে খবরটি শুনে আমরা সবাই অস্হির হয়ে পড়ি, আমি ও কবি মোহন রায়হান রাত ৮.৩০ মিনিটে হাসপাতালে ছুটে যাই, দাদাকে দেখতে।
এপ্রোন পড়ে আমরা ICU তে ঢুকি, কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে দাদা কে দেখি, দাদা কে দেখে মন ভারী হয়ে উঠে।
দাদার ছোট ভাই ও আত্নীয়রা ছিল। অনেকক্ষন থাকলাম তাদের সাথে। দাদা কোন সরকারি সহযোগিতা পাচ্ছেন না ! এনারাই বাংলাদেশ সৃস্টিতে অপরিসীম অবদান রেখেছেন, অথচ রাস্ট্র নির্বিকার ! এই লজ্জা সমগ্র জাতীর।
আমার সকল অগ্রজ ও বন্ধু ও অনুজদের প্রতি আহ্বান জানাই দাদার জন্য সকলেই দোয়া করবেন,যাতে দাদা দুরুত সুস্হ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।
আল্লাহ দাদা’কে দুরুত সুস্হতা দান করুন,আমিন।




