
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভুঁইয়া রাজুর ওপর ‘অনুপ্রবেশকারী’ শিব্বির আহমেদের নেতৃত্বে হামলায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সিদ্ধিরগঞ্জ পুলে মজিব ফ্যাশনের সামনে থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভায় আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলার প্রতিবাদ জানান।
এ সময় তারা হামলাকারীদের সব পদ-পদবি থেকে বহিষ্কারের দাবি তোলেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নূরে আলমের সভাপতিত্বে এবং থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাজী জহিরুল হকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, বাদল মেম্বার, আমিন উদ্দিন, থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ জামান, জেলা কৃষক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল হেকিম, আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের সভাপতি হাজী আব্দুস সামাদ বেপারী, থানা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, মহানগর যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা সুলতানা মনি, আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মো. গিয়াস উদ্দিন টুলু, আলী হোসেন মেম্বার, হক মেম্বার ও সিদ্দিকুর রহমান আবুল প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী ইয়াছিন মিয়া বলেন, একের পর এক ঘটনা ঘটছে। গত নির্বাচনের আগেও আমার বাড়িতে হামলা করে চারটি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো সেই ঘটনার বিচার পাইনি। সে কারণেই আমাদের দুর্বল করার জন্য একের পর এক নেতাকর্মীদের টার্গেট করে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। তাই আমাদের প্রাণপ্রিয় সংসদ সদস্যকে বলব, আপনি সবাইকে চেনেন এবং জানেন। ভবিষ্যতে প্রত্যেকটি অঙ্গ সংগঠনের কমিটি করার আগে এসব অনুপ্রবেশকারীদের সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করে নেবেন। কারণ হাইব্রিডরা আমাদের সঙ্গে মিশে দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমি রাজুর ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।




