যুবলীগের হামলার প্রতিবাদে পাটুরিয়া ও আরিচায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ
নিজস্ব প্রতি,মানিকগঞ্জ: লঞ্চ মালিকের ওপর হামলা ও কাউন্টার ভাংচুরের প্রতিবাদে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে নৌপথ দুইটিতে সকল প্রকার লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় লঞ্চ মালিক সমিতি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো লঞ্চ যাত্রী।
যাত্রীদের অনেকেই শুধু পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন।
যাত্রী বহনকে কেন্দ্র করে স্প্রিড বোর্ড মালিক পক্ষের শিবালয় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আলী আহসান মিঠুর নেতৃত্বে মিতুল, উজ্জল ও রতনসহ প্রায় ৩০-৪০ জন ওই লঞ্চ মালিক উজ্জ্বলের ওপর হামলা করেছেন বলে ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।
তিনি জানান, প্রায় বছর খানেক ধরে দুইটি নৌপথেই আলী আহসান মিঠুর নেতৃত্বে অবৈধভাবে স্প্রিড বোর্ডে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপরও চলাচল বন্ধ হয়নি এসব স্প্রিড বোর্ড।
অনেক আগে থেকেই আরিচা ৪ নম্বর ঘাট ব্যবহার করে লঞ্চে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। প্রায় দুই মাস আগে এই লঞ্চ ঘাটের পাশে অবৈধভাবে স্প্রিড বোর্ডের ঘাট করেছেন এসবের মালিক পক্ষ।
এরপর থেকেই লঞ্চ যাত্রীদের টেনে স্প্রিড বোর্ডে নিচ্ছিলেন তারা।
এরই মধ্যে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লঞ্চ যাত্রীদের টেনে স্প্রিড বোর্ডে নেয়ার সময় তিনি (উজ্জ্বল) বাধা দেন।
এর পরপরই আলী আহসান মিঠুর নেতৃত্ব ওইসব লোকজন এসে তার ওপর হামলা করেন। এ সময় হামলাকারীরা লঞ্চ কাউন্টার ভাংচুর ও টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে গেছেন।
এই হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দুপুর ১২টা থেকে স্থানীয় মালিক সমিতি দুইটি নৌপথেই সাময়িকভাবে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বলেও জানান উজ্জ্বল।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, লঞ্চ ঘাটে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।
বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে বসে দ্রুত সুরাহার চেষ্টা করা হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই লঞ্চ চালু করা সম্ভব হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।




