slider

যশোরের ৬ আসনের ২টিতে নতুন মুখ

স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোরঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৮ আসনের ঘোষিত তালিকায় ৬ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২ জন বর্তমান সাংসদ মনোনয়ন থেকে বাদ পড়েছেন।
আজ রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ তালিকা প্রকাশ করেন।

যশোর জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে যশোর-০১ আসনে শেখ আফিল উদ্দিন,যশোর-০২ আসনে ডাঃ তৌহিদুজ্জামান তুহিন, যশোর-০৩ আসনে কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-০৪ আসনে এনামুল হক বাবুল, যশোর-০৫ আসনে স্বপন ভট্টাচার্য ও যশোর-০৬ আসনে শাহীন চাকলাদারকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

যশোর -২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বর্তমান এমপি নাসির উদ্দিনের পরিবর্তে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের একমাত্র জামাতা ডাঃ তৌহিদুজ্জামান তুহিনকে। অপরদিকে যশোর-২ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনের বর্তমান এমপি রনজিত কুমার রায়ের পরিবর্তে অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক বাবুলকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। জেলার অন্য ৪টি আসনে প্রার্থী অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এদিকে, যশোর ৫ মণিরামপুর আসনে প্রার্থী পরিবর্তন না হওয়ায় দলীয় কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। এই আসনে স্বপন ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হওয়ায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিন যাবত এই আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে নিম্ন বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায় মতুয়া বান্ধব প্রার্থী নির্বাচনের জন্য নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিল দলের বৃহৎ একটি গ্রুপ।

এছাড়াও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপলক্ষ্যে ৮৯ যশোর-৫ মণিরামপুর সংসদীয় আসনের প্রার্থী হিসাবে বারবার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা খান টিপু সুলতানের সুযোগ্য সন্তান কেন্দ্রীয় যুবলীগের অন্যতম সদস্য ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য হুমায়ুন সুলতান সাদাব-এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে বলেন, মণিরামপুর আসনের ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার আওয়ামী লীগের জনগণ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ চাইলে স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন।

চলতি বছর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ৩ হাজার ৩৬২ জন। সর্বশেষ গত ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার আগের সংসদের ৫৬ জন এমপি দলীয় মনোনয়ন পাননি। আবার ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার আগের সংসদের ৪৯ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়ন আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৭ জানুয়ারি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button