বিনোদন

বিয়ের আগেই মা হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া!

সুন্দরী নায়িকা হলে তার ফ্যান হওয়া স্বাভাবিক। আর সেই নায়িকা যদি সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন হয়ে থাকেন, তাহলে নীল নয়নের প্রেমে পড়াও অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু ৩০ বছরের যুবক যদি ঐশ্বরিয়ার মতো সুন্দরীকে নিজে জন্মদাত্রী মা বলে দাবি করেন? না, মিথ্যে নয় এ খবর একদম সত্যি। এমন আশ্চর্য দাবিই করে বসেছেন মেঙ্গালুরুর বাসিন্দা সংগীত কুমার। তার দাবি, প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীর পুত্র তিনি। অর্থাৎ আরাধ্যা বচ্চনের সৎ-ভাই।
কিন্তু এ কিভাবে সম্ভব? মিডিয়ার প্রশ্নের উত্তরে সংগীত জানান, বিশ্বসুন্দরী হওয়ার আগে নাকি আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে ঐশ্বরিয়া তার জন্ম দেন। দুই বছর বয়স পর্যন্ত তিনি তার দাদি বৃন্দা কৃষ্ণরাজ রাইয়ের কাছে ছিলেন। তিন বছর বয়সে তাকে বিশাখাপত্তনমে রেখে আসা হয়। সেখানেই অনাত্মীয়ের কাছে ২৭টি বছর কাটান তিনি। এখন মেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। কিন্তু এতদিন দাবি করেননি কেন? সংগীতের দাবি তিনি নিজের পরিচয় জানতেনই না। যাদের কাছে থাকতেন তারাও খুব একটা ভালো ছিলেন না। কোনোভাবে নিজের পরিচয় জানতে পেরেছেন। জানতে পেরেছেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনই তার মা।
এখানেই শেষ নয় মেঙ্গালুরুর এই বাসিন্দার দাবি ২০০৭ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে তার মায়ের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু এখন সে সম্পর্ক ভেঙে গেছে। আর ঐশ্বরিয়া এখন একা থাকেন। তাই তিনি চান মেঙ্গালুরুতে এসে তার সঙ্গেই থাকুক ঐশ্বরিয়া।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ঐশ্বরিয়া বচ্চন পরিবারের বউ হয়েছিলেন একথা সকলেরই জানা। দু’জনের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। আরাধ্যাকে নিয়ে মাঝেমধ্যেই ছবি পোস্ট করে থাকেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। কিছুদিন আগেই দু’জনকে একসঙ্গে গৌরী খানের ইন্টিরিয়র শপে দেখা গিয়েছিল। তা থেকেই স্পষ্ট সম্পর্কে বিন্দুমাত্র চিড় ধরেনি। এদিকে ঐশ্বরিয়া বিশ্বসুন্দরী হয়েছিলেন ১৯৯৪ সালে। যখন তার বয়স ছিল মাত্র কুড়ি। তার আগেও নিয়মিত মডেলিং করে গিয়েছেন ঐশ্বরিয়া। বিজ্ঞাপনের দুনিয়ায় বেশ নাম ছিল। বর্তমানে নায়িকার বয়স ৪৪। যদি যুবকের দাবি সত্যিও মানা যায়, তাহলে ১৪ বছর বয়সে কেমন করে মা হতে পারেন নায়িকা?
এ প্রশ্নের উত্তরে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি মেঙ্গালুরুর যুবক। অনেকেই তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলে দাবি করেছেন। কেউ কেউ আবার এই কাহিনির সঙ্গে, শাহরুখের ‘ফ্যান’ ছবিরও সাদৃশ্য খুঁজে পাচ্ছেন। সেখানেও অতি উৎসাহী ‘ফ্যান’-এর খপ্পরে জেরবার হয়েছিল শাহরুখের চরিত্র।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button