প্লে-অফে মাশরাফীর ঢাকা

মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের জ্বলে ওঠা দিনে আগে ব্যাট করে বড় পুঁজি গড়তে পারেনি ঢাকা প্লাটুন। এরপরও রংপুর রেঞ্জার্সের বিপক্ষে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল ম্যাচ জিতে নিল বড় ব্যবধানে।
রংপুরের বোলারদের পর জ্বলে উঠল ঢাকার বোলাররা। ১৪৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তাই ৮৪ রানেই গুটিয়ে গেল রংপুরের ইনিংস। ৬১ রানের জয়ে প্লে-অফ অর্থাৎ শেষ চার নিশ্চিত হলো ঢাকার। অন্যদিকে এই হারে শেষ চারে যাওয়ার ক্ষীণ আশাটুকুও এখন শেষ হয়ে গেল রংপুরের।
জিতলেও রংপুরের শেষ চারে খেলা অবশ্য কঠিনই ছিল। সে ক্ষেত্রে নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলেও তাদের পয়েন্ট দাঁড়াত ১২। আর এই ম্যাচের আগেই চার দলের পয়েন্ট ন্যূনতম ১২ ছিল।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই রংপুরের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম (৪) ও শেন ওয়াটসন (০) বিদায় নেন। অফ স্পিনার মেহেদী হাসান পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে পর পর ফিরিয়ে দেন দুজনকে। জাগান হ্যাটট্রিকের আশা। এরপর আরো দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ৫ উইকেটে ৩৯ রানে পরিণত হয় রংপুর।
আল-আমিন জুনিয়র (২৩), মোহাম্মদ নবীরা থাকলেও ঢাকার বোলারদের দাপটে টিকতে পারেননি তারা। শেষ পর্যন্ত ১৫.৩ ওভারে ৮৪ রানে গুটিয়ে যায় রংপুরের ইনিংস।
মেহেদী পরে আরো এক উইকেট নেন। সর্বাধিক ৩ উইকেট নিয়ে ঢাকার সবচেয়ে সফল বোলার তিনি। এ ছাড়া ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, ফাহিম আশরাফ ও শাদাব খান।
শুরুতে মেহেদী হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে পারেনি। পরে শাদাবও জাগিয়েছিলেন সম্ভাবনা। ওদিকে ঢাকার ইনিংসে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান তাসকিন আহমেদ।
১৪তম ওভার পর পর দুই বলে তিনি ফেরান তামিম ইকবাল ও আসিফ আলিকে। যদিও শেষ পর্যন্ত হ্যাটট্রিকের স্বাদ পাননি। তবে মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন দুজনেই ৩টি করে উইকেট ভাগ করে নেন। নবী নেন জোড়া উইকেট।
ঢাকা তাতে ৯ উইকেটে ১৪৫ রানে আটকে যায় ঢাকা। তামিম সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন ৩৮ বলে। ৫ চারে সাজান নিজের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে শাদাব খানের ব্যাট থেকে। ১৯ বলে অপরাজিত ৩১ রান করেছেন তিনি ১ চার ও ৩ ছক্কায়। তার শেষের ঝড়েই ঢাকার স্কোরটা ভদ্রস্থ হয়েছিল। অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য ম্যাচসেরাও হয়েছেন শাবাদ খান।
১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে এখন টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা। আরো দুই ম্যাচ বাকি তাদের। শীর্ষ দুইয়ে থাকার তাই ভালো সুযোগ ঢাকার সামনে। অন্যদিকে আসর শেষ হয়ে যাওয়া রংপুরের পয়েন্ট ১১ ম্যাচে ৮।




