ধামরাইয়ে স্ত্রীকে ইট দিয়ে থেতলে হত্যার পর পালায় স্বামী

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাইয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করতে নিষেধ করায় স্ত্রী জুলেখা ওরফে জেলেকা বেগমকে (৫৩) ইট দিয়ে থেতলে হত্যার ঘটনায় স্বামী কহিনুর ইসলাম ফকিরকে (৬২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রোববার ভোরে মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কহিনুর তার স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। গত ২০ নভেম্বর দুপুরে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর গ্রামের বাড়ির উঠানে পাঁচ সন্তানের জননী জুলেখা বেগমকে হত্যার পর কোহিনুর পালিয়ে যায়। পরে ধামরাই থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় জুলেখা বেগমের ভাই আব্দুল কাদের বাদী হয়ে কোহিনুর ইসলাম ফকিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
র্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট রাকিব মাহমুদ খান জানান, পাঁচ সন্তানের জনক হওয়ার পরও কোহিনুর দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য এলাকায় প্রচার শুরু করে। এ নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। ঘটনারদিনও দ্বিতীয় বিয়ে করতে নিষেধ করেন জুলেখা বেগম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির উঠানে ইট দিয়ে থেতলে হত্যার পর এলাকা থেকে পালিয়ে যায় কোহিনুর। পরে ছায়া তদন্তের মাধ্যমে গতকাল রোববার ভোরে মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত কোহিনুর তার স্ত্রী জুলেখাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে গতকাল রোববারই ধামরাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




