slider

ধামরাইয়ে ক্রিকেট খেলার বল দিয়ে জানালা ভাঙা নিয়ে সংঘর্ষ

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি: ০৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ধামরাই পৌরসভার কালিয়াগার এলাকায় ক্রিকেট খেলার বল দিয়ে জানালার গ্লাস ভাঙাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে মুক্তার আলী (৬৫) ও তার ছেলে সুজন (২৫) এর বিরুদ্ধে।

এ সময় ভুক্তভোগী সজীব (১৭) গণমাধ্যম কর্মীদের জানান সে প্রতিদিনের ন্যায় ওইখানে ক্রিকেট খেলছিলো। কিন্তু হঠাৎ করেই খেলার সময় বল লেগে মুক্তার আলী (৬৫) এর বাড়ির জানালার গ্লাস ভেঙে যায় এবং ভাঙার সাথে সাথেই বিষয়টি সে তার পরিবারকে জানায়।

ঘটনাটি জানার পরপরই সজীবের মা বিউটি আক্তার (৪৫) কথা বলতে যায় মুক্তার আলীর স্ত্রীর (৫০) সাথে। এমনকি গ্লাস ভেঙ্গে গেছে সেই জন্য জরিমানা দিতেও রাজি হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই মুক্তার আলীর ছেলে সুজন (২৫) ও সজীবের মা বিউটি আক্তারের সাথে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। সেই সাথে মুক্তার আলীর স্ত্রীও সজীবের মায়ের সাথে বাজে ব্যবহার এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

এসময় সজীব এর প্রতিবাদ করার জন্য এগিয়ে গেলে সজীবকেও মারার জন্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসে সুজন। তখন ঘটনাস্থল থেকে আশেপাশের মানুষ সজীবকে নিয়ে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে আবারো দুই পক্ষের মধ্যে গোলযোগ এবং হাতাহাতির সৃষ্টি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে সজীব সুজনের গায়ে হাত তুলে এবং সুজনও সজীবের গায়ে হাত তুলে।

সজীবের সাথে ঝামেলার ব্যাপারটা মানতে পারেনি সুজন। এই ক্ষোভে পরবর্তীতে সুজন (২৫) রাতুল (২৫) সহ আরো ৪-৫ জন লাঠি ছোটা এবং হাতুড়ি নিয়ে প্রবেশ করে সজীবের বাবা মোতালেব হোসেনের (৫০) বাড়িতে এবং বাড়িতে ঢুকে তার দলবল নিয়ে সজীবের উপর হামলা করে। এক পর্যায়ে সজীবের বড় ভাই হাসিব এবং তার বাবা মোতালেব হোসেনের সাথেও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে মুক্তার আলীর ছেলে সুজন ও তার দলবলের সাথে।

এ ব্যাপারে সজীবের বাবা মোতালেব হোসেন জানান স্থানীয় লোকজন এক জায়গায় বসে দুই পক্ষের সাথেই সমঝোতা করে ঘটনাটি সমাধান করে দেয়ার কথা বলায় আমি কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেইনি। কিন্তু হুট করেই সুজনের বাবা মুক্তার আলী থানায় গিয়ে আমিসহ আমার দুই ছেলে হাসিব ও সজীবের নামে মিথ্যে মামলা করেছে এবং নানাভাবে আমাদের হয়রানি করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমি এবং আমার পরিবার প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button