উপমহাদেশশিরোনাম

দুষ্টুমি করে ভোটে জেতা যায় না: মমতাকে মোদি

ভারতের কোচবিহারের জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কথার বাক্যে আক্রমণ করলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার অভিযোগ, রাজ্যে গুন্ডা-তোলাবাজদের প্রশ্রয় দিচ্ছে পিসি-ভাইপোর সরকার। চিটফান্ড নিয়েও তৃণমূলকে বিঁধেছেন তিনি।
নরেন্দ্র মোদির দাবি, সভায় আসতে বাধার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সভায় উপচে পড়া ভিড়ই তার প্রমাণ। সভামঞ্চ গড়তে বাধা দেওয়া হয়। এসব বাচ্চাদের মতো আচরণ। দিদি ও তার কর্মীরা ড্রামা করছেন। দুষ্টুমি করে ভোটে জেতা যায় না। আপনারা যত মোদি মোদি করেন, ততই স্পিডব্রেকারে দিদির ঘুম উড়ে যায়।
ভোটের মুখে রাজ্যে পুলিশ কর্তাদের রদবদলের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কলকাতা পুলিশের কমিশনার অনুজ শর্মাকে সরিয়ে আনা আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারকে। রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিংকে। নতুন কমিশনার নটরাজন রমেশ বাবু।
এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পুলিশকর্তাদের রদবদলের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বড়সড় পুলিশি রদবদলের এই পদক্ষেপে যারপরনাই ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি দিচ্ছে নবান্ন। এই ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
এই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, কমিশনের উপর রাগ দেখাচ্ছেন দিদি। এতেই স্পষ্ট দিদি ভয় পেয়েছেন। দিদির শিকল থেকে বাংলা মুক্ত হতে চায়।
সভায় বিশৃঙ্খলা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ করেন মোদির। তার মন্তব্য, ধাক্কাধাক্কি করবেন না। পড়ে গেলে আমার নামে এফআইআর হবে। জনসমর্থন চলে গেলে কী অবস্থা হয়, সেটা দিদির আচরণে স্পষ্ট হয়েছে।
পাশাপাশি মোদি আরও বলেন, যারা দেশ ভাগ চায়, তাদের পাশে দিদি। দিদির জন্যই রাজ্যবাসী কষ্টে আছেন। দেশে দু’জন প্রধানমন্ত্রী চান দিদি। দেশ ও কাশ্মীরের আলাদা প্রধানমন্ত্রী চান।
একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলার পাশাপাশি ইউপিএ সরকারকেও আক্রমণ করলেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। বলেন, আগের সরকার সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পেতো। পাকিস্তান একের পর এক হুমকি দিতো। দিল্লির সরকার কোনো সিদ্ধান্তই নিতো না। পাকিস্তানের সাহস বেড়ে গিয়েছিল। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কিছু করেনি ইউপিএ। চৌকিদার আসতেই পরিস্থিতির বদল হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button