বিনোদনশিরোনাম

থাইল্যান্ডের ফুকেট এখন করোনাভাইরাসের ‘হটস্পট’

যে শহর ঘুমায় না। সারা বছর যেখানে থাকে হাজার হাজার পর্যটকের আনাগোনা। চলে আড্ডা, মাস্তি, ফুর্তি- সেই ফুকেটে এখন শ্মশানের নীরবতা! থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রমোদ দ্বীপটি এখন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ‘হটস্পট’।
ফুকেটেই জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানীর মালিক কৃতচেই রোজানাপোর্নসাতিত। গত ৩০টা বছর ধরেই ফুকেটের সৈকত, বন্দর ও আকর্ষণীয় জায়গাগুলোতে সব সময় পর্যটক গিজগিজ পরিবেশ দেখে অভ্যস্ত তিনি।
সিএনএনকে ফুকেটের অচেনা এই পরিবেশের বর্ণনা দিতে গিয়ে রোজানাপোর্নসাতিত জানান, করোনার কারণে এখানে যে পরিবেশ দাঁড়িয়েছে তেমনটা ২০০৪ সালে সুনামির সময়ও দেখেননি তিনি।
“পানিতে কোনো স্পিড বোট নেই। রাস্তা, সৈকতগুলো খাঁ খাঁ। হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন পর্যটক। এমনটা আমি কখনই দেখিনি। এমনকি ২০০৪ সালে সুনামির সময়ও না।”
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জানাচ্ছে, থাইল্যান্ডে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৩৫। থাইল্যান্ডের ৭৭টি রাজ্যের মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ফুকেটে সর্বোচ্চ। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংখ্যাটি ১৭০ জন।
থাই সরকারের দেওয়া তথ্য উপাত্তে বলা হয়েছে, ফুকেটে প্রতি লাখে প্রায় ৩৯জন করোনায় আক্রান্ত। আর রাজধানী ব্যাংককে প্রতি লাখে আক্রান্ত প্রায় ২২ জন।
ফুকেটে প্রায় ৪ লাখ জনগণের বসবাস। তাদের মধ্যে যাতে করোনার প্রকোপ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য কড়াকড়ি অবস্থানে কর্তৃপক্ষ। এতে ‘অচেনা’ হয়ে উঠেছে আনন্দ-উল্লাসের কেন্দ্রভূমিটি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button