খেলা

তৃতীয় দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৩০৪/৯

তৃতীয় দিন সফরকারী জিম্বাবুয়ে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও দলকে চাপমুক্ত করেছেন ব্রেন্ডন টেইলর ও পিটার মুর। মূলত এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটের উপর ভর করেই ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুইয়ানরা। তৃতীয় দিন শেষে ১০৫.৩ ওভারে ৩০৪ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। চাতারা ইনজুর থাকার কারণে ব্যাটিংয়ে আসেননি।
পাঁচ বছর পর টেস্টে নিজের সেঞ্চুরির দেখা পান টেইলর। এটি তার পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের সাথে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি করেন জিম্বাবুইয়ান ডান হাতি উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। ১৮৭ বল খেলে ৮টি চারের মারের সাহায্যে সেঞ্চুরি পূরণ করেন টেইলর।
সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষন টিকে থাকতে পারেননি টেইলর।দিনের খেলা শেষ হবার কিছুক্ষণ আগে মিরাজের জোড়া আঘাতের স্বীকার হন তিনি। আউট হবার আগে ১১০ রান করেন তিনি। নতুন ব্যাটিংয়ে আসা মাভুতাকে আরিফুলের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে দিকে পাঠিয়ে দেন টাইগার অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।
১৮ ওভার বল করে ৩ মেইডেন নিয়ে ৫৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন মিরাজ।
এর আগে প্রথম টেস্টের মতো মিরপুর টেস্টেও চলে তাইজুলের ঘূর্ণির জাদু। জিম্বাবুয়ের ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন এই বাঁহাতি টাইগার লেগস্পিনার। ৩টি নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও আরিফুল হক ১টি উইকেট তুলে নেন।
৩ উইকেটে ১০০ রান করে প্রথম সেশন শেষ করেছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু লাঞ্চ থেকে ফিরে দলীয় স্কোরে ৩১ রান যোগ করতেই আরো দুইটি উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ব্যক্তিগত ১১ রানে তাইজুলের তৃতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে ভোগানো শন উইলিয়ামস। রানের খাতা খুলার আগেই সিকান্দার রাজাকে সরাসরি বোল্ড আউট করে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন বাঁহাতি এই টাইগার লেগস্পিনার। সফরকারীদের ওপর চেপে বসেছেন এই স্পিনার।
প্রথম সেশনের শেষ দিকে টাইগারদের জন্য দুঃশ্চিন্তার কারণ হয়ে ওঠা চারিকে ফেরান মিরাজ। জিম্বাবুয়ের দলীয় রান তখন ৯৬, ব্যক্তিগত ৫৩ রানে ব্যাট করছিলেন চারি। এসময় মিরাজের করা একটি বল চারির প্যাডে লেগে গ্লাভস ছুঁয়ে মুমিনুল হকের তালুবন্দী হয়। থার্ড আম্পয়ার নিশ্চিত করেন চারির আউট।
দলীয় ২০ রানে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে হারিয়েছিল সফরকারীরা। ব্যক্তিগত ১৪ রান করে তাইজুল ইসলামের বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। এরপর তাইজুলের করা ইনিংসের ২৯তম ওভারের চতুর্থ বলে মিরাজের তালুবন্দী হয়ে মাঠ ছাড়েন ডোনাল্ড তিরিপানো (৮)।
প্রসঙ্গত, মুশফিকুর রহীমের মহাকাব্যিক ইনিংসে ভর করে বড় রানের সংগ্রহ পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। এ সংগ্রহে অবদান ছিল মুমিনুল হকের ধ্রুপদী ইনিংসটিরও। মুশফিক ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। আর মুমিনুল ১৬১ রান করে আউট হন। তবে, শেষ দিকে মুশফিককে সঙ্গ দিয়ে অপরাজিত ৬৮ রানের এক অসামান্য ইনিংস খেলেছেন অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button