
মিজানুর রহমান, শেরপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল, ঝোড়া ও গারো পাহারের বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে রাতভর অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে রবিবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল।
এসময় অবৈধ বালু পরিবহনের দায়ে হালচাটি গ্রামের মো.জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে ২৫ দিন ও চাপাঝোড়া গ্রামের রাকিবুল ইসলাম কে ৪৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়া ৪টি অটোভ্যান ও ১টি বালুবোঝাই মাহিন্দ্র আটক করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত জসিম উদ্দিন ও রাকিবুল ইসলাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল শেরপুরের জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৯(৪) অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা সকল বালুমহাল বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এরপরেও প্রভাবশালী কয়েকটি সিন্ডিকেট রাতের আঁধারে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল, ঝোড়া ও গারো পাহারের বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিত্বে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রবিবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল প্রতিনিধি কে বলেন, আমাদের পরিচালিত অভিযানে বালু উত্তোলন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সরকারি সম্পদ রক্ষার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ইউএনও।




