কাশ্মিরের ইতিহাসে এই প্রথম, ঈদের দিনিও কারফিউ জারি থাকতে থাকছে। আজ মঙ্গলবার সেখানে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আর সেখানকার ১০ জেলায় কারফিউ জারি হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী সেখানে টহল জোরদার করেছে। গত দু’মাস ধরে কাশ্মীরে তৈরি হওয়া দাঙ্গায় মৃত্যু ঘটেছে প্রায় ৭৫ জনের৷
সূত্রের খবর, ঈদের দিনে কাশ্মীরের বিভিন্ন অঞ্চলে পথসভার ডাক দিয়েছে স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলো৷ দেশ ভাগের পর থেকেই কাশ্মির ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে এই প্রথম ঈদের দিনে কার্ফুতে স্তব্ধ হতে চলেছে উপত্যকা৷
আপাতত উৎসবের আমেজের ছিটেফোঁটাও নেই উপত্যকায়। সাধারণত এই সময় কাশ্মিরের রাস্তাঘাটে মিষ্টি, পোশাক এবং উপহার কেনার জন্য ভিড় জমে। এবার অবশ্য রাস্তাঘাট প্রায় নির্জনই বলা চলে। হাতেগোনা কয়েকটি ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া যানবাহনও বিশেষ দেখা যাচ্ছে না। পেট্রল পাম্পগুলিও বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকায় গণপরিবহণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্রীনগরের বিখ্যাত মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক দোকান মডার্ন সুইটস এবং শক্তি সুইটস। প্রতিবারই ঈদের আগে ওই দুটি দোকানে দারুণ ভিড় জমে। এবার তারা জানিয়েছে, ঈদে বিক্রি বন্ধ থাকবে। লাগাতার কারফিউ এবং জনতা-সেনা সঙ্ঘর্ষের কারণে বিক্রি ৯০ শতাংশ কমে গেছে।
১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দিনে ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দিয়ে রেখেছে হুরিয়ত এবং অন্য স্বাধীনতাকামীরা। সোমবার পু্ঞ্চ জেলায় সেনার গুলিতে নিহত আরো এক তরুণ।
উল্লেখ্য, ১০০ বছর পর তীর্থযাত্রায় গেছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। প্রায় ১০০ বছর বন্ধ রাখার পরে এই তীর্থযাত্রা ২০০৯-তে ফের শুরু হয়েছিল। যাত্রার তদারকি করছে সর্বদলীয় শরণার্থী সমন্বয় কমিটি।




