ইরানের বিমান দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, মাঝ আকাশে ভেঙে পড়া ইউক্রেনের বিমানের কেউ বেঁচে নেই। উড়োজাহাজটিতে ১৭৬ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, তেহরানের ইমাম খামেনি এয়ারপোর্ট থেকে টেকঅফের কিছুক্ষণ পরই পারান্দ শহরতলিতে ভেঙে পড়ে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ জেটটি।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট দুর্ঘটনার পরপরই জানায়, কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা নেই।
এ দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জানান, প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী দুর্ঘটনায় পড়া উড়োজাহাজের কেউ বেঁচে নেই।
রাজধানী কিয়েভের উদ্দেশে ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ভোর সোয়া ৫টায় ছাড়ার কথা ছিল। এর এক ঘণ্টা বিলম্বে উড্ডয়ন করে, কিছুক্ষণ পরই দুর্ঘটনায় পতিত হয়।
ইরানিয়ান অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র রেজা জাফরজাদে জানান, দুর্ঘটনা খবর পাওয়ার পরপর তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা প্রতিবেদনের অপেক্ষা করছেন।
এদিকে এক বিবৃতিতে বোয়িং কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছেন।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, কারিগরি ত্রুটির জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বার্তা সংস্থা আইএসএনএ টুইটারে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দুর্ঘটনার আগে আকাশে আলো দেখা যায়।
জেনারেল কাশিম সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরাকে মার্কিন দুই বিমান ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।
তবে দুর্ঘটনার সঙ্গে মার্কিন-ইরান সাম্প্রতিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কোনো সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা জানা যায়নি।



