Uncategorized

ইয়াবা মামলায় পলাতক আসামির বিবৃতির নামে মিথ্যাচারের বিপক্ষে ঘুমধুম ইউনিয়ন বাসীর পক্ষে জবাব

সীমান্ত প্রতিনিধি : উখিয়ায় ৪৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক দুই ও তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি মতে পলাতক তিন আসামির নামে গত ২০ তারিখ উখিয়া থানায় মামলা করেন বিজিবি। ঐ মামলার পলাতক আসামি ঘুমধুম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. খালেদ সরওয়ার হারেচ গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর অনলাইন পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে যেসব মিথ্যাচার করেছেন তার জবাবে ঘুমধুম ইউনিয়ন বাসীর পক্ষে অ্যাডভোকেট তারিক আজিজ জামী তার নিজের ফেইসবুক আইডিতে নিম্নোক্ত জবাবটি দেন। পাঠকের সুবিধার্তে তা হুবহু তুলে ধরা হলো-
বিকৃত মিথ্যাচারের জবাব:
[১] রাজনীতিতে কোন ইয়াবা সম্রাট, মাদককারবারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা প্রতিপক্ষ হতে পারে না। বেশি হলে সে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে মাদককারবারী।
[২] গণমানুষের রাজনীতি করি আমরা। আমাদের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রায় কোন মাদককারবারী যদি পায়ের কাছে ঘুরঘুর করে রাজনৈতিক অগ্রযাত্রায় পদদলিত হয়ে যদি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে ‘আমার প্রতিপক্ষ’; সেটা হাস্যকর ও পাগলের প্রলাপ।
[৩] ভোটের রাজনীতিতে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ নাম্বারে অবস্থান করে যদি বলে ‘আমি আগামীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হব বলে ষড়যন্ত্র’; এমন দাবি অমূলক ও ভ্রান্ত।
[৪] ‘পুলিশকে সহযোগিতা করার কারণে বিজিবি মামলা দিতে পারে’ বলে যে দাবি তার মাধ্যমে আপনার দলীয় পদ নিয়ে প্রশাসনের দালালী করার প্রবণতা বা প্রশাসনের তল্পিবাহক বা মাদককারবারী হিসেবে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় থাকার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
[৫] ‘সভাপতির পদ থেকে সরাতে ধারাবাহিকভাবে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’ বলে যে দাবি তা সম্পূর্ণ অসত্য এবং ভিত্তিহীন। বিগত ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের সভাপতি হয়েও বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে নৌকার প্রার্থীকে হারানোর জন্য আপনার যে ষড়যন্ত্র ছিল তা ঢাকার অপকৌশল ছাড়া আর কিছু না।
[৬] ‘আগামীতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে না পারার জন্য এই মামলা’ বলে যে দাবি তা অমূলক, ভ্রান্ত এবং অসত্য। কেননা, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে আপনি প্রার্থীই ছিলেন না বা হওয়ার মতো আপনার রশদও ছিল না বলে, আপনি অন্য দলের প্রার্থীর কর্মী হিসেবে নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। যা দলের সাথে, দলের সিদ্ধান্তের সাথে বেইমানির সামিল।
[৭] ‘সুষ্ঠু তদন্তে ইয়াবাগুলো কার, কারা দিয়েছে বেরিয়ে আসবে’ বলে যে দাবি তা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার সামিল। যারা আটক হয়েছে তাদের তথ্য ধরে আপনার ও আপনার সহযোগীদের নাম বেরিয়ে এসেছে। তাছাড়াও, ইয়াবা উদ্ধারের সাথে সাথে বিনা নোটিশে তড়িঘড়ি করে বিদ্যালয়ের সভায় উপস্থিত হয়ে কী বার্তা দিলেন তা সকলের কাছে নানা প্রশ্নের অবতারণা করেছে।
[৮] এছাড়াও সদ্য ঘোষিত ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটিতে একজন মাদককারবারীকে সভাপতি করায় সমগ্র ঘুমধুম জুড়ে যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে, জন দাবি ‘মাদক ব্যবসায়ীর বিদ্যালয়ের মতো পবিত্র অঙ্গনে চেয়ার দখল’ মাদক কারবারে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করবে বলে যে ধারণা পোষণ করে আসছে তা সত্য বলে প্রথম সভাতে প্রমাণিত হয়েছে।
অতএব, বিবৃতির নামে এমন বিকৃত মিথ্যাচার কোনভাবেই জনগন গ্রহণ করবে না; জনগন এতটা বোকা না যতটা আপনারা মাদককারবারী নেতারা ভাবেন!
পরিশেষে মাদককারবারী মুক্ত সংগঠন ও বিদ্যালয় চাই।
ঘুমধুম ইউনিয়নের সচেতন মহলের সহোযোগিতা কামনা করছি অপশক্তি বিনাশে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button