আমি নিজেই আমার গ্রেফতার চাই-সাবিনা আক্তার তুহিন

যুব মহিলালীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
সোমবার (২ মার্চ) ভোরে সাড়ে পাঁচটায় দেওয়া সাবিনা আক্তার তুহিনের ওই স্ট্যাটাসটি পাঠাকদের জন্য তুলে ধরা হলো:
‘আমি নিজেই আমার গ্রেফতার চাই, প্রতি মুহুর্তে মিথ্যে অপবাদ নেয়ার চাইতে মৃত্যু আমার কাম্য। আমাকে নিয়ে সত্যের মুখামুখি করেন, আমি দোষী হলে জেল দেন। আমি এত নিউজের মধ্যে আর আমার পরিবার কে ফেলতে চাই না। আমার ছেলে সন্তানরাও আজ বিনা অপরাধে মিথ্যের জন্য লজ্জিত হচ্ছে। আমি যদি অপরাধী হই কোন কিছু লাগবে না, আমি অপরাধী এটাই আমার পরিচয়। যদি আমার সম্পদের হিসাব ইনকাম সোর্স কি তাও লাগে তাও নেন। এত চক্রান্ত মোকাবিলা আমি কি করে করবো, আমি কারো কাছে যাই নাই ভেবেছিলাম সত্য তো বের হবেই। আমার বিরুদ্ধে ভিডিও প্রকাশ হয় তাও মিথ্যা।
আজ আমি আমার বান্ধবী খাদিজ কাউস বিউটি যে তার স্বামী সংসার কে ভালোবাসে তাকেই যখন পাপিয়া বানানো হয় তখন আমার অনেক আপন জন কে কলংকিত করার চক্রান্ত। আমার বিচার শুরুর আগেই ফাঁসি হয়েছে। একজন কর্মীর সাথে না জেনে মিশে কত অপরাধ করেছি। একবার গাড়ীর ব্যবসার পার্টনার আরেকবার চাঁদাবাজ তাও নিজ বান্ধবীর বাসায়। ঢাকা মহানগরের এত ক্ষমতা যে কাউকে নমিনেশন দিতে পারে সেখানেও জড়ানোর চেষ্টা, আমি নিজেই এমপি হতে পারি নাই। আমার এত ক্ষমতা আমিই যেন সর্ব সর্বা। আমার দূরদিনের সহযোদ্ধা যারা আমাকে চিনে তারাও নিরব।
পাপিয়া আমার সাথে গিয়ে ছবি তুলেছে সেখানে আমার বাচ্চাদের ছবি সহ দেয়ার মানে কি? আমার ফেসবুক থেকে এত পুরনো ছবি বের করেছে কারা কি উদ্দেশ্যে। আমি টাকার পাহাড় আর নিজেরই সহযোদ্ধাদের হিংসার জ্বালে আজ ক্ষতবিক্ষত।
আমি এত মিথ্যা প্রেসার নিতে পারবো না আমি অনুরোধ করি দয়া করে সকালেই আমাকে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সত্যের মুখামুখি করবে। আমি আমার সন্তানদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই কারণে সত্যের মুখামুখি হতে চাই। আমি অনেক চুপ থাকার চেষ্টা করেছি কিন্তু যাকে নেতা আমি বানাই নাই মিশার অপরাধে কেনো আজ আমার প্রতি মুহুর্তে মৃত্যু হচ্ছে। আজ স্বার্থের জন্য বিএনপির এমপি প্রার্থী আর আমাদের নিজেদের লোক ঐক্যবদ্ধ, আমি রাজনীতিতে হারলে কালো টাকার কাছে হার হবে রাজপথের সৈনিকের। প্লিজ আমার পরিবারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে নিয়ে সত্য বের করুন, আর তারপর আপনারা মিডিয়া কে আমার সত্যি প্রকাশ করুন।’
পূর্বপশ্চিম




