
মো.দুলাল হোসেন,বাউফল প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘুরচাকাঠি গ্রামের এক জেলে পরিবারের ঘরে চলছে নীরব মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই। ক্যান্সারে আক্রান্ত গৃহবধূ মোসা.জেসমিন বেগম সাত বছর ধরে এই মরণব্যাধির সঙ্গে যুদ্ধ করছেন, দারিদ্র্যতার কষাঘাতে জীবন যুদ্ধের সন্ধিক্ষণে ক্যান্সারের মত মরণ ব্যাধি বাসা বেধেছে জেসমিনের শরীরে।
জানা গেছে, জেসমিন বেগমের স্বামী মিন্টু সিকদার পেশায় একজন জেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনিই। অল্প আয়ে কোনোভাবে সংসার চললেও স্ত্রীর ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালানো তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ধার-দেনা করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি।
এই পরিবারের বাস্তবতা আরও কঠিন। তাদের তিন কন্যা সন্তান-বড় মেয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী,
মেজো মেয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে, আর ছোট মেয়েটির বয়স মাত্র দুই মাস। অন্যের জমিতে ছোট একটি ঘর তুলে সেখানে বসবাস করেন তারা। যেখানে দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটানোই কষ্টসাধ্য, সেখানে ক্যান্সারের চিকিৎসা যেন এক অসম্ভব স্বপ্ন।
পরিবারটির দাবি, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে জেসমিন বেগম সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা তাদের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে।
এ অবস্থায় অসহায় স্বামী মিন্টু সিকদার ও তার পরিবারের সদস্যরা সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষের কাছে সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয়রাও বলছেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে এলে একটি জীবন বাঁচানো সম্ভব, বাঁচতে পারে একটি পরিবার।
যোগাযোগ ও সহায়তা পাঠাতে: ০১৭৫১৪৮৬৬৪৪।



