বিনোদন

‘চুপ করো কঙ্গনা’

ধর্মীয় বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন কঙ্গনা রনৌত এবং তার বোন রঙ্গোলি চান্দেল। এমনই অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ফের দেশদ্রোহের মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ভীষণ ধাক্কা খেলেন অভিনেত্রী।
কঙ্গনা টুইটারে লেখেন, “রানি লক্ষ্মীবাঈ-এর দুর্গ ভাঙা হয়েছিল, তেমন আমারও বাড়ি ভাঙা হয়েছে। যেমন; সাভারকরকে বিদ্রোহের জন্য কারাগারে বন্দী করা হয়েছিল, তেমনই আমাকেও জেলে পাঠানোর যথাসাধ্য চেষ্টা চলছে, এই দেশে কত লোক কতটা অসহিষ্ণুতা সহ্য করেছে, তা কেউ জিজ্ঞাসা করে না।”
এই টুইটের পরই নেটিজেনদের একাংশ ‘চুপ করো কঙ্গনা’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে ট্রোল করতে শুরু করেন।
একজন লেখেন, “কেন যে উনি নিজেকে রানি লক্ষ্মীবাঈ মনে করেন বুঝতে পারি না।”
দীপিকা, আলিয়া, ক্যাটরিনাদের সাদা পোশাক ও কঙ্গনার কালো পোশাকের ছবি পোস্ট করে আরেকজন বলেন, “ভালো মানুষ হতে গেলে সাদা পোশাক পরুন।”
“যদি আমরা কঙ্গনার যুক্তি অনুসারে চলি, তবে আমির খান হলেন ভারতের প্রথম মুক্তিযোদ্ধা, মঙ্গল পান্ডে। যিনি কি-না ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন এবং কঙ্গনা রনৌত ছিলেন সন্ত্রাসবাদী আবু সালামের উপপত্নী। যদিও কঙ্গনার কাছে আমির দেশদ্রোহী এবং উনি হলেন দেশভক্ত ঝাঁসির রানি”, এমন মন্তব্যও সহ্য করতে হচ্ছে নায়িকাকে।
আরেকজন লেখেন, “কেন যে উনি নিজেকে রানি লক্ষ্মীবাঈ-এর সঙ্গে তুলনা করেন! যেহেতু উনি ছবিতে রানি লক্ষ্মীবাঈ-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, সে কারণে! সে ক্ষেত্রে ‘গ্যাংস্টার’ ও ‘ফ্যাশন’ ছবিতেও তার ভূমিকাও মনে রাখা উচিত। যেটা তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে আরও জড়িত।”
কয়েক বছর ধরে বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে বারবার আলোচনায় আসছেন বলিউডের এ নায়িকা। সাম্প্রতিক সময়ে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর একাধিক ইস্যুতে তিনি কামান দেগে যান। এ ঘটনায় মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন শিবসেনার সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে চলে যান। যা ভারতের জাতীয় স্তরের রাজনীতিতেও তোলপাড় তোলে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button