
ভারতের আসাম রাজ্যে তীব্র বৃষ্টিপাত ও বন্যায় বন্য প্রাণীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত দশ দিনে বন্যার পানিতে ডুবে ৯টি বিরল প্রজাতির গণ্ডার মারা গেছে। উদ্ধারকারীরা এখন মৃত গণ্ডারগুলোর লাশ উদ্ধারের চেষ্টা করছে। এছাড়াও বন্যায় গত মে মাস থেকে কমপক্ষে ৮৮ জন নিহত খবর পাওয়া গেছে। আর বাস্তুচ্যুত হয়েছে ২৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ।
এদিকে করোনাভাইরাস মহামারিতে উদ্ধারকারী দলগুলোকে বন্যার পানিতে দ্বিগুণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল বলছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উদ্ধার কার্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ব্রহ্মপুত্র নদীর পানির স্তর ১১ সেন্টিমিটার (৪.৩ ইঞ্চি) বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। দু’সপ্তাহ পরে নদীর তীর ফেটে প্রায় ২ হাজার ৫ শ’রও বেশি গ্রাম পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যার ফলে আসামের কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানটিও ডুবে গেছে। যেখানে ছিল বিশ্বের বিরল প্রজাতির ১০০টি গন্ডারসহ প্রায় তিন হাজার প্রাণী।
আসামের কৃষিমন্ত্রী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ৯টি গণ্ডার ইতোমধ্যে ডুবে গেছে। এছাড়াও শতাধিক প্রাণী মারা গেছে। ভেসে যাওয়া উদ্যানের গণ্ডার, হাতি ও হরিণগুলো এখন রাস্তায় এবং মানব বসতিতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। সূত্র: ডেইলি সাবাহ




