
এ বছর ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু করেছি তবে আগামী বছর থেকে সেটা মাধ্যামিক হোক আর মাদরাসা হোক আর সাধারণ হোক ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা পাবে সকল শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে জেলার কালকিনির ঐতিহ্যবাহী বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি।
তিনি আরও বলেন, নবম ও দশম শ্রেণিতে দু’টি কারিগরি বিষয় পড়ানো হবে। তবে বাধ্যতামূলক অন্তত একটি বিষয় কারিগরি পড়তে হবে। এরপর যদি কেউ পড়তে চায় বা না চায় সেও কিন্তু নিজের আত্মকর্মংস্থান করতে পারবে। আমার সেই ব্যবস্থা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করছি।
তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ, তার অনেক অনেক বছর পর আমাদের পাশ্ববর্তী দেশগুলো এখন তারা বলছে তাদের দেশকে ডিজিটাল দেশ করার কথা। আমাদের এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা পৌঁছে গেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সকল পর্যায় শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নত করতে হবে। আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। পূর্বের যে তিনটি শিল্প বিপ্লব হয়েছে তা থেকে আমার পিছিয়ে ছিলাম। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যেটা অটোমেশিনে, রোবোটিক্সে সেদিক থেকে আমরা পাশ্ববর্তী অনেক দেশ থেকে এগিয়ে আছি। আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও প্রযুক্তি বান্ধব। তারা সহজেই প্রযুক্তি গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারে। প্রযুক্তির প্রতি আমাদের এই যে আগ্রহ তাই আমাদেরকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে সফল হতে সহযোগিতা করছে। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে যদি আমরা সফল হতে চাই তাহলে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে শিক্ষায়।
শতবর্ষ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, মহিলা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বকুল হোসেন।
শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক ও সাবেক চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান শাহীন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এডভোকেট মো. মনিরউজ্জামান চৌধুরী সোহাগ, প্রধান শিক্ষক মো. সালাহ উদ্দিন আকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।



