
ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়ে সেটা প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসিকে না জানানোর অপরাধে ১৮ মাসের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেতে যাচ্ছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো কিছুই জানানো হয়নি।
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, সাকিবের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এখনো বিসিবিকে কিছু জানায়নি আইসিসি। এ বিষয়ে তিনিও কিছু জানেন না।
ক্রিকেট সম্পর্কিত জনপ্রিয় অনলাইন ইএসপিএন ক্রিকইনফো আইসিসির বরাত দিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ফিক্সিং প্রস্তাব পাওয়ার পরও সে বিষয়ে কেন আইসিসিকে জানানো হয়নি- এ বিষয়ে এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আকসু। কিন্তু এখন পর্যন্ত সাকিবের বিপক্ষে কোনো অভিযোগই গঠন করা হয়নি।
এ বিষয়ে ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি এমনকি আকসুও এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোন মন্তব্য করেনি। সাকিবের বিষয়ে অভিযোগ গঠন না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে মন্তব্য করতে বিরত থাকবে সংস্থা দুটি। নিয়মানুযায়ী আকসু তদন্ত করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবে আইসিসির আদালতে। সেখানে পর্যালোচনা করে আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে সাকিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে কী না।
উল্লেখ্য,আইসিসির অ্যান্টি করাপশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইউনিটের (আকসু) নিয়ম অনুযায়ী, ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও যদি সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের বোর্ড কিংবা আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগকে না জানানো হয়, তাহলে সে অপরাধে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পর্যন্ত হতে পারে।




