
এক দফা দাবিতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেওয়ার দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা। রোববার (০৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ ও ১৫ অক্টোবর যথাক্রমে ১ ঘণ্টা, ২ ঘণ্টা কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১৬ ও ১৭ অক্টোবর যথাক্রমে অর্ধদিবস ও পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করবেন শিক্ষকরা।
এরপরও দাবি আদায় না হলে আগামী ২৩ অক্টোবর মহাসমাবেশ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবি দীর্ঘদিন আন্দোলন করা হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন দফতর দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেও আজও তা আলোর মুখ দেখেনি। এ কারণে শিক্ষকরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ১৪টি প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বেতন বৈষম্য নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছে। আগামী ১৩ অক্টোবরের মধ্যে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবি পূরণ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ। সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের আহ্বায়ক মো. আনিসুর রহমান। প্রধান সমন্বয়ক মো. আতিকুর রহমান আতিক। এছাড়া বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন, পরিষদের মুখপাত্র বদরুল আলম, রবিউল হাসান ও আব্দুস সবুর।
এসময় প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, নীনি নির্ধরণী কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সরকার, সালেহা আক্তার, ইউএস খালেদা, আব্দুল খালেক, আব্দুল হক, শিবাজী বিশ্বাস, রোজেল সাজু, সিদ্দিকুর রহমান, আবুল কাসেম, সাবেরা বেগম, গাজীউল হক, নুরুজ্জামান আনসারী, কামরুল ইসলাম, মোজাম্মেলন হক, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন কুসুমসহ ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




