‘বোরকা নিষিদ্ধ হলে, ঘোমটা কেন নয়?’ প্রশ্ন জাভেদ আখতারের
বলিউডের প্রখ্যাত গীতিকার জাভেদ আখতার দাবি করেছেন বোরকা পরা বন্ধ হলে রাজস্থানের মহিলারা যে ঘোমটা দেন তাও বন্ধ হওয়া উচিত। এর আগে একই প্রতিবাদ জানিয়েছিলো দেশটির এআইএমআইএম নেতা তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি৷
কয়েক দিন আগে আসাদউদ্দিন ওয়েইসি প্রশ্ন করেন, ‘বোরকা নিষিদ্ধ হলে ঘোমটা নয় কেন?’
এরপর একই বিষয়ে জাভেদ আখতার সংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘আইনত ভাবে বোরকা পরা বন্ধ হলে, রাজস্থানের মহিলারা যে ঘোমটা দেন তাও বন্ধ হওয়া উচিত৷’
ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন এমন খবর প্রকাশ করে।
সম্প্রতি বোমা হামলার ঘটনায় শ্রীলঙ্কায় বোরকাকে নিষিদ্ধ কারার পর ভারতেও বোরকা নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে দেশটির কট্টরপন্থি বা মৌলবাদী হিন্দুরা। দেশের নিরাপত্তার খাতিরে মুসলিমদের এই প্রথাকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেন ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর। এমনকী শিব সেনা’র দলীয় মুখপত্র ‘সামনা’তে একই দাবি তোলা হয়। এরপরই বোরকার সঙ্গে সঙ্গে ঘোমটাকেও নিষিদ্ধ করার কথা বলেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।
আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এই দাবিকে সমর্থন করে জাভেদ আখতার বলেন, ‘আমি কোনো মতেই বোরকার পক্ষে নই। তবে বোরকা ও ঘোমটা, দু’ক্ষেত্রেই আইন একই হওয়া উচিত।’
এ সময় জাভেদ আখতার মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুরকে ভোপাল লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করায় বিজেপিকেও নিয়েও মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার কারণেই বিজেপি প্রজ্ঞা ঠাকুরকে প্রার্থী করেছে। যা অত্যন্ত লজ্জাজনক সিদ্ধান্ত। এর থেকেই বোঝা যায়, ভোপালের মানুষের সম্পর্কে কতটা খারাপ ধারনা পোষণ করে বিজেপি। ঠাকুরকে প্রার্থী করে বিজেপি আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে।’
একই সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস নেতারা যে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ স্লোগান ব্যবহার করেন সেটারও বিরোধিতা করেন এই প্রবীন গীতিকার।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে পছন্দ করি না৷ তবে আমি রাহুল গান্ধীকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবেও দেখছি না। ২০১৯-এর এই নির্বাচনই দেশের ভবিষ্যতের দিক-নির্দেশ করবে।’




