
টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বেশির ভাগ নদনদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে কয়েক হাজার গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি প্রবেশ করায় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও মাছের খামার।
সুনামগঞ্জ, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরে কয়েক হাজার গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে শতাধিক ঘরবাড়ি। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এছাড়া নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যাজনিত সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের স্বার্থে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব রকম ছুটি বাতিল করেছে।




