প্রিয়জনকে শুভেচ্ছা জানাতে অথবা কারও মন জয় করতে লোকে কত কী-ই না করে!
সকালবেলায় ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপে পলাশমাখা অথবা কাশফুল ভরা শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবি অথবা কোনও বিশেষ দিনের জন্য বিশেষ মেসেজ – বহু মানুষই এখন এসবে অভ্যস্ত।
প্রেমিকার সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার পরে ‘সরি’ লেখা গ্রিটিংস কার্ড বা এসএমএস-ও পুরণো হয়ে গেছে।
কিন্তু ধরুণ প্রেমিকার সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার পরদিন সকালে আপনি তাঁকে একটা আস্ত আলু পাঠালেন?
তিনি কি খুব রেগে যাবেন?
অভিজ্ঞতা বলছে, মোটেই রাগ করবেন না তিনি।
উল্টে ফিক করে অথবা খিলখিল করে হেসে ফেলবেন। অট্টহাসিতেও পরিণত হতে পারে সেটা।
কারণ, ওই আলুর ওপরে যে লেখা রয়েছে ‘সরি’।
শ
কারণটা – ওই আলু!!
আলু সেদ্ধ, আলু ভাজা বা আলু ভর্তার যুগ পেরিয়ে এসেছে আলু-বার্তা।
সেটাই চমক।

“একদিন রান্নাঘরে বসে ফোনে কথা বলছিলাম কারও সঙ্গে। তিনি একটা ফোন নম্বর বলছিলেন। লেখার জন্য কোনও কাগজ ছিল না সামনে। পকেটে একটা স্কেচপেন ছিল অবশ্য, আর সামনের তাকে গোটা কয়েক আলু। ওই ফোন নম্বরটা আলুর ওপরেই লিখে নিয়েছিলাম আমি। তারপরেই ব্যাপারটা মাথায় আসে,” জানিয়েছেন মি. গোয়েল।
তিনি একটা ওয়েবসাইট খুলে ফেলেছেন – যেখানে আলুর ওপরে কী বার্তা পাঠাতে চান, সেটা ১৩০ অক্ষরের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিলে আপনার প্রিয়জনকে তিনি সেই আলু-বার্তা পাঠিয়ে দেবেন – সুন্দর একটা বাক্সে ভরে।

সঙ্গে যদি পছন্দমতো ছবি সেঁটে দিতে চান, তারও ব্যবস্থা রয়েছে। ছবিটা অবশ্য ওয়েবসাইটেই আপলোড করে দিতে হবে যিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন, তাঁকে।
আলু-বার্তা তৈরী হয়ে যাওয়ার পরে সেটাকে একটা ছোট্ট চটের ব্যাগে ভরে পিচবোর্ডের বাক্সে প্যাক করা হয়। সঙ্গে থাকে একটা ছোট্ট চিরকুট।
তারপরে গোটা আলু-বার্তার বাক্সটিকে সীল করে ঠিকানা লিখে দিলেই কাজ শেষ।
সম্প্রতি দিল্লিতে বিবিসির দপ্তরে এসেছে সেরকমই একটি আলু মাখা শুভেচ্ছা।
আলু-বার্তা তৈরী হয়ে যাওয়ার পরে সেটাকে একটা ছোট্ট চটের ব্যাগে ভরে নিতে হবে





