চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে রিয়াল

স্পোর্টস ডেস্ক : অনেকটা ফেভারিট হিসেবে মাঠে নেমেও ‘মাদ্রিদ ডার্বি’টা জেতা হয়নি রিয়াল মাদ্রিদের। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে ২-১ গোলে হেরেছে জিনেদিন জিদানের দল।
তবে হারলেও টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালে পৌঁছাতে সমস্যা হয়নি রিয়ালের। কারণ ঘরের মাঠে সেমিফাইনালের প্রথম লেগটা ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল রিয়াল। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার আসরটির ফাইনালে উঠে গেছে মাদ্রিদের দলটি।
অন্যদিকে চতুর্থ বারের মতো রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বাদ পড়তে হলো অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে। গত মৌসুমে ফাইনালে গিয়ে রিয়ালের কাছে হারতে হয়েছিল। সে হিসেবে এবারের জ্বালাটা হয়তো একটু কমই!
কাল কিন্তু আগের তিন বারের জ্বালা থেকে মুক্তি পাওয়ার পন করেই খেলেছে অ্যাটলেটিকো। রিয়াল তিন গোলে এগিয়ে থাকলেও শুরুর দিকে মনে হচ্ছিল ‘মুক্তি’ এবার পেয়েই যাচ্ছে না তো দিয়েগো সিমিওনেল দল! ম্যাচের ষোল মিনিটের মাথায় যে দুই গোল দিয়ে ফেলল অ্যাটলেটিকো।
১২ মিনিটে সাউলের নিগুয়েজ দারুণ এক হেডে এগিয়ে যাওয়ার চার মিনিট পরই ব্যবধান ২-০ করে ফেলেন অ্যান্থনি গ্রিজমান। রিয়াল ডিফেন্ডার ভারনে ফার্নেন্দো তোরেসকে ডি-বক্সে ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি। পরে সেটা থেকে গোল করতে একটুও ভুল করেননি গ্রিজমান। দুই লেগ মিলিয়ে রিয়াল তখন মাত্র এক গোলের ব্যবধানে এগিয়ে (৩-২)।
‘কিছু একটা ঘটতেও পারে আজ’ অ্যাটলেটিকো সমর্থকদের অনেকেই হয়তো তখন এই ভাবনায় মত্ত। কিন্তু ভাবনাটা বেশিদূর এগুতে দেননি ইসকো। ৪২ মিনিটে গিয়ে দারুণ এক গোল করে ম্যাচের ব্যবধান ২-১ করেন স্প্যানিশ তারকা। তারপর ফাইনাল খেলতে হলে তিন গোলে করতে হতো অ্যাটলেটিকোকে।
অসম্ভবটা পরে সম্ভব করতে পারেননি দিয়েগা সিমিওনেল দল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য চেষ্টার এতটুকুও কমতি করেনি স্বাগতিকরা। কিন্তু শক্ত রিয়ালের বিপক্ষে পেরে উঠা সম্ভব হয়নি। যাতে শেষ পর্যন্ত দুই গোলের ব্যবধানে ফাইনাল নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়েছেন রোনালদো-বেনজেমা-রামোসরা। আগামী ৩ জুন কার্ডিফেতে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি হবে জুভেন্টাস।




