প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ চীনের নয়াগণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা এবং আন্তর্জাতিক সর্বহারা শ্রেণির মহান নেতা ও শিক্ষক কমরেড মাও সে-তুঙের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পায়রা চত্বরে আলোচনা সভা, লাল পতাকা মিছিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কমরেড মাও সে-তুঙের বিপ্লবী রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণের বিরুদ্ধে তাঁর সংগ্রাম এবং নিপীড়িত জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে তাঁর অবদানের ওপর আলোচনা সভায় বক্তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদ, শোষণ-বঞ্চনা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রামে মাও সে-তুঙের মতাদর্শ ও রাজনৈতিক শিক্ষা আজও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা শ্রমিক-কৃষকসহ শোষিত জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি শোষণহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে আলোচনা সভা ও “গণশিল্পীর গানের দল” আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিপ্লবী গণসঙ্গীত, গান, কবিতা উপস্থাপন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওবাদী কবি হাসান ফকরী, সভাপতি, শহিদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ এবং আহ্বায়ক, কমরেড মাও সে-তুঙের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটি। এবং সঞ্চালনা করেন বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন, ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি কমরেড অরুণভ আশরাফ।
আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন–
১. ফেরদাউস রহমান রোদ, যুগ্ম আহ্বায়ক, ছাত্র গণমঞ্চ
২. বাদল শাহ আলম, সম্পাদক, খনন পত্রিকা
৩. তাওফিকা প্রিয়া, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন
৪. জাফর হোসেন, সভাপতি, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা
৫. মাসুদ খান, সভাপতি, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ
বক্তারা কমরেড মাও সে-তুঙের বিপ্লবী জীবন ও সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, মাও সে-তুঙের নেতৃত্বে চীনের জনগণ সাম্রাজ্যবাদ, আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ, সামন্তবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিপ্লব সম্পন্ন করেছিল। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত সংগ্রাম বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের মুক্তিসংগ্রামকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
সভা থেকে সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ, সামন্তবাদ, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রামকে জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।