দুই অধিনায়কের আনন্দের চট্টগ্রাম টেস্ট

মুশফিকুর রহিম ও অ্যালিষ্টার কুক, দুই অধিনায়কের জন্য আনন্দের চট্টগ্রাম টেস্ট। বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর দীর্ঘদিন পর অধিনায়কত্ব করতে নামবেন। তাই দীর্ঘদিন পর ‘অধিনায়ক’ ডাক শুনে আপ্লুত মুশফিকুর। তবে মুশির মত এমন কোন ব্যাপার নেই কুকের। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন কুক। চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার মালিক বনে যাবেন কুক।
দু’বছর আগে বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টুয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহিত দেয়া হয় মুশফিককে। শুধুমাত্র টেস্টের অধিনায়ক হিসেবেই থেকে যান তিনি। কিন্তু গেল ১৪ মাস বাংলাদেশ টেস্ট না খেলাতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অধিনায়কত্বের দায়িত্বভার পালন করতে হয়নি মুশফিককে।
তবে দীর্ঘদিন পর আবারো টেস্টের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন মুশফিকুর। চট্টগ্রামে আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ দিয়ে আবারো অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালনে দেখা যাবে তাকে। তাই টেস্টের আগের দিন বেশ আপ্লুত দেখা গেলো মুশিকে।
কারন সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুরকে প্রশ্ন করার আগে সাংবাদিকরা ক্যাপ্টেন বলে সম্বোধন করে প্রশ্ন করেছেন। তাতে দীর্ঘদিন পরই ক্যাপ্টেন ডাকটা শুনতে পেলেন মুশি। এমন ডাক শুনে বেশ খুশী মুশফিকুর নিজেও। তাই নিজের অনুভূতিও এভাবে প্রকাশ করেছেন মুশি, ‘দীর্ঘদিন পর ক্যাপ্টেন ডাক শুনলাম। খুবই ভালো লাগছে। সাথে খুব আনন্দও হচ্ছে।’
অধিনায়ক হিসেবে নিজের ২৫তম ম্যাচ খেলতে নামবেন দেশের হয়ে ৪৮টি টেস্ট খেলা মুশফিকুর। তার নেতৃত্বে ৪টি টেস্টে জয়, ১১টিতে হার ও ৯টি ম্যাচে ড্র করে বাংলাদেশ। তবে দীর্ঘদিন পর টেস্টে অধিনায়কত্ব করতে পেরেই বেশ খুশী মুশফিকুর।
মুশফিকুর যেখানে দীর্ঘদিন পর ক্যাপ্টেন ডাক শুনে খুশী, সেখানে আগামীকাল নতুন রেকর্ডের পথে পা দিবেন ভেবেই আত্মহারা ইংল্যান্ড দলপতি কুক। চট্টগ্রাম টেস্ট খেলতে নামলেই ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়বেন কুক। তাই এ রেকর্ডের সামনে দাড়িয়ে বেশ খুশী কুক নিজেও, ‘আগামীকালের দিনটি আমার কাছে বিশেষ দিন হতে যাচ্ছে। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচের রেকর্ড গড়বো। এই অনুভূতি আমার কাছে অসাধারণ।’
ইংল্যান্ডের হয়ে বেশি টেস্ট খেলা শীর্ষ পাঁচ খেলোয়াড় :
খেলোয়াড় ম্যাচ রান
অ্যালিষ্টার কুক (২০০৬-২০১৬) ১৩৩ ১০৫৯৯
অ্যালেক স্টুয়ার্ট (১৯৯০-২০০৩) ১৩৩ ৮৪৬৩
জেমস এন্ডারসন (২০০৩-২০১৬) ১১৯ ১০৭৩
ইয়ান বেল (২০০৪-২০১৫) ১১৮ ৭৭২৭
গ্রাহাম গুচ (১৯৭৫-১৯৯৫) ১১৮ ৮৯০০।




