Uncategorized

দেশকে প্রথম স্বর্ণ উপহার দিলেন মনিকা পুইগ

জার্মান তারকা এ্যাঞ্জেলিক কারবারকে পরাজিত করে রিও অলিম্পিকের নারীদের টেনিস সিঙ্গেলসের স্বর্ণ জিতেছেন মনিকা পুইগ। এর মাধ্যমে অলিম্পিকের ইতিহাসে প্রথমবারের মত স্বর্ণ পদকের স্বাদ পেল পুইগের দেশ পুয়ের্তো রিকো। ফাইনালে গতকাল পুইগ ৬-৪, ৪-৬, ৬-১ গেমে কারবারকে পরাজিত করে স্বর্ণ জয় করেন।
২২ বছর বয়সী ফ্লোরিডা ভিত্তিক পুইগ বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৩৪তম স্থানে থেকে বিশ্বের দুই নম্বর খেলোয়াড় ও অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন কারবারের বিপক্ষে যে লড়াই করেছেন তাতে তার প্রশংসা করতেই হয়। পুরো ম্যাচে পুইগ ৫৪টি শটে জয়ী হয়েছেন। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে পুইগ ফ্রেঞ্চ ওপেন চ্যাম্পিয়ন গারবিন মুগুরুজাকে পরাজিত করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিলেন। ক্যারিবীয়ান দ্বীপপুঞ্জের প্রথম নারী এ্যাথলেট হিসেবে অলিম্পিকে পদক জয়ের ইতিহাস গড়লেন তিনি। এই স্বর্ণ পদকের আগে পুয়ের্তো রিকো মাত্র আটটি অলিম্পিক পদক জয় করেছিল। এর মধ্যে ছিল দুটি রৌপ্য ও ছয়টি ব্রোঞ্জ। এই আটটির মধ্যে ছয়টিই এসেছিল বক্সিং থেকে। ২০১২ সালের আগে পুয়ের্তো রিকোর ছয়টি পদক এসেছিল বক্সিং থেকে। লন্ডনে রেসলিংয়ে জেমি এসপিনাল রৌপ্য ও ৪০০ মিটার হার্ডলসে জেভিয়ার কুলসন ব্রোঞ্জ পদক জয় করে সেই ধারার পরিবর্তন করেন।
ফাইনালের লড়াইয়ে শেষ সেটের সপ্তম গেমে এসে পুইগের জয় নিশ্চিত হয়। ওই গেমে তিনি ছয়টি ব্রেক পয়েন্ট রক্ষা করেন। ম্যাচ শেষে জাতীয় পতাকা নিয়ে পুরো কোর্টে ঘুড়ে বেড়ানো উচ্ছসিত পুইগ বলেছেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমার দেশ আমাকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছে এবং আমি তাদের জয় উপহার দিয়েছি। যেভাবে আজ এটা জয় করেছি তা আর কখনও সম্ভব কিনা জানি না। বলগুলো খুব ধীরে আসছিল, সে কারনেই কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। টুর্নামেন্ট যত গড়িয়েছে আমার খেলা ততই ভালো হয়েছে। সমর্থকরাও আমাকে দারুণভাবে সমর্থন দিয়েছেন। আজ আমি যা অর্জন করেছি তা বিশ্বাসই হচ্ছে না। এটা আমার ক্যারিয়ারের অনেক বড় একটি স্বপ্ন ছিল।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম বাছাই মেডিসন কেইসকে ৭-৫, ২-৬, ৬-২ গেমে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছেন চেক প্রজাতন্ত্রেও পেট্রা কেভিতোভা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button