sliderস্থানিয়

শিবগঞ্জে গৃহপরিচালিকা নয়নী হত্যাকান্ডের মূল আসামী নোমান গ্রেফতার

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: শিবগঞ্জে চ্াঞ্চল্যকর গৃহপরিচারিকা নয়নী খাতুন(১৫) হত্যাকান্ডের আসামী মেহেবুব এ খোদা নোমানকে কে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন ঘটনার তদন্তকারী অফিসার শিবগঞ্জ থানার এস আই প্লাবন। তিনি জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ৯ জুন সকালে কানসাট ইউনিয়নের মোহনবাগ এলকার তার নানা আলহাজ রইস উদ্দিনের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নানা নাটকীয় ঘটনার গত সোমবার ৮ জুন শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেছে নয়নীর আত্মীয় আকলিমা বেগম(৩৭) ।

মামলা রেকর্ড হওয়ার পরই মামলার ২ নম্বর আসামী মেহেবুব এ খোদা নোমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। । গ্রেপ্তারকৃত আসামি হলেন- উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের মোহনবাগ এলাকার রইসউদ্দিনের নাতি ও মুঞ্জুরুল এ খোদা সুমনের ছেলে। এজাহারে বলা হয়, নয়নী প্রথমে নোমানের নানা রইসউদ্দিনের বাড়িতে নয়নী খাতুন গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করছিল। সেখান থেকে তার খালার বাড়ি মুনমুনের বাড়িতে গৃহপ্িরচালিকা হিসাবে কাজ করতো। এ অবস্থায় তার ওপর মেহেবুব এ খোদা নোমানের কু-নজর পড়লে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন নোমান। ঘটনাটি নোমানের বাড়ির লোকজনসহ অন্যান্য আসামীরা জানতে পেরে তারা সকলে নয়নীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে গত ১ জুন সোমবার বিকেলে তারা নয়নীকে হত্যা করে তাদের বাড়ির দোতলায় একটি সিলিং ফানের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনা চালায় এবং ফাঁসি থেকে নামিয়ে রাখে।

লসেদিন রাত ১১টার দিকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে দূর্লভপুর শেরপুর ভান্ডার-বিজিপাড়া এলাকায় তার মরদেহ দাফন করা হয়। আসামিরা নয়নীকে হত্যা করে নাটকীয়ভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, নয়নীর নিকটতম আত্মীয় উপজেলার দূর্লভপুর ইউনিয়নের শেরপুর ভান্ডার-বিজিপাড়া গ্রামের মেস্তাাকের স্ত্রী আকলিমা বেগম বাদি হয়ে রইসউদ্দিন ও নোমানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। রাতে রইসউদ্দিনের বাড়ি মোহনবাগ এলাকা থেকে নোমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button