মানিকগঞ্জে বৈচিত্র্যময় যমুনার চর জাফরগঞ্জ

মো. নজরুল ইসলাম,মানিকগঞ্জ : “সবুজে বাঁচি,প্রকৃতি সুরক্ষা করি“ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ শহর থেকে বিশ্বসাহিত্যের কতেক প্রকৃতিপ্রেমী হাঁটা দিবসের পথিক দল নামে প্রতিবছর ৪ জানুয়ারী দিনব্যপী হাটর মধ্যে সবুজের মাঝে প্রকৃতিকে ফিরে দেখতে চায়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল ৯.০০ ঘটিকায় মানিকগঞ্জ বিজয় মেলা মাঠ থেকে জাফরগঞ্জ যমুনার চরে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাটা দিবস পালন করা হয়।
হাঁটা দিবসের পথিকদলের সমন্বয়কারী পালের গোদা শাহাদত হোসেন সাইজির সভাপতিত্ত্বে ও গুরু আল্লামা অনিশ আজাহার এর দিকনির্দেশনায় এবং উন্নয়ন কর্মী মো.নজরুল ইসলামের ব্যাবস্থাপনায় পথিকদলে সারাক্ষণ মহানান্দসূধা নিয়ে যুক্ত ছিলেন ভাষা শহীদ রফিকের উত্তরাধিকার দেশপ্রেমিক সাদিকুর রহমান সুহাস, বাচিকশিল্পী প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বক্স দিপু, খেলাঘর প্রশিক্ষক ওস্তাদ আতিকুর রহমান মিঠু,প্রকৃতিপ্রেমী অঞ্জণ, সাহিত্যপ্রেমী শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
পথিক দল সকালে পায়ে হেঁটে মানিকগঞ্জ শহীদ রফিক চত্বর হয়ে বাসস্ট্যান্ড থেকে যানযোগে জেলার ঐতিহাসিক জাফরগঞ্জ যমুনার ঘাটে উপস্থিত হন। গোঁয়ারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেয়া পারি দিয়ে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের রাহাতপুর,বাঁচামারা, জোতকাশি,কিশোরীর চর পারি দিয়ে জেলার শেষপ্রান্ত পাবনা সীমানায় গিয়ে ক্ষান্ত হন। চলার সময় প্রথম খেয়ামাঝি মো. আজিমুল্লাহ একজন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যাক্তির জীবন সংগ্রামে অবিভূত হলাম। তারপর জোতকাশিতে আরেকজন বাক প্রতিবন্ধী নারী শুক্করীজানের জীবন সংগ্রাম দেখতে দেখতে গায়ের রাখাল হাতেম আলীর গোচারণ দেখি আর প্রকৃতির অপরুপ চিত্রে মুগ্ধ বনে গেলাম। তারপর মো
সেলিম মিয়া ও হাতেম ব্যাপারীদের বিশাল টমেটো ক্ষেত দেখে যমুনার আরেক ঘাটে মো. বিখ্যাত অভিনেতা শামিম রেজার ভাই আলিমুদ্দিনের সাথে কথা বলে সেলিম মিয়ার নৌকায় ওপার গিয়ে যমুনার ধূধূ বালুতে কিছু সময় সবাই প্রকৃতির হারিয়ে যাই। চরের চারিদিকে বৈচিত্রময় পথে পথে সোনালী ফসল সরিষা,খেসারী,মাসকালাই ও গমের চারণভূমি হয়ে আবার আনন্দে আনন্দে বহুমাত্রিক বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে করে জাতীয় সংগীত দিয়ে সমাপনী করা হয়।




