
আজ সকাল ১১ থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্তঢাকাস্থ বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনে কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাজতন্ত্রী, কমিউনিস্ট ও শ্রমিকশ্রেণির প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা পার্টি, নয়াগণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি, জাতীয় শ্রমিক আন্দোলন, মানবসেবা কল্যাণ সংস্থা, বাংলাদেশ ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতি (বিএলএফ), জাগপা’র নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল গফুর মিয়া। সভা সঞ্চালনা করেন এ এ এম ফয়েজ হোসেন।
সভায় বাংলাদেশের বিদ্যমান সরকারি দমন-নিপীড়ন, দুর্ভিক্ষের ঢেড়াবাজানো, ব্যাংকলুট, ভূমি দস্যুতা, সভা-সমাবেশ করতে না নেওয়া, জুলুম-অত্যাহার, গুম-খুন, দুর্নীতি, সর্বগ্রাসী ঘুষখরি, দ্রবমূল্যের চরম দুর্ভোগ, ব্যবসা-বাণিজ্যের অচলাবস্থা নিয়ে বিষদ আলোচনা হয়।
দুর্ভিক্ষের আতঙ্ক তৈরি, ব্যাংক লুট, ভূমি দস্যুতা, রাজনৈতিক সভাসমাবেশ করতে না দেওয়া, হামলা, জেল-জুলুমের ডরভয় দেখানো সরকারি কার্যক্রমকে সভার বক্তগণ নিন্দা করেন এবং এই সব বন্ধ করার জন্য শাসকশ্রেণির প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের বুর্জোয়া, মাফিয়া রাজনীতির বিপরীতে শ্রমিকশ্রেণির আলাদা রাজনৈতিক ধারা ও বক্তব্য রয়েছে। দেশের সর্বত্র শ্রমিকশ্রেণির রাজনৈতিক প্লাটফর্ম তৈরিম সমাজতন্ত্রী ও কমিউনিস্টদের ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, বুর্জোয়া মাফিয়াদের পতন করে শ্রমিকশ্রেণির সরকার তৈরির জন্য শ্রমিকশ্রেণির বিভিন্ন সংগঠনের সাথে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।
এ জন্য একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করতে হবে। লড়াই ছাড়া মেহনিত জনগণের মুক্তি সম্ভব নয়। পরবর্তী এক মাসের মধ্যে আরেকটি আলোচনা সভা হবে।
সভায় বক্তব্য রাখেন সর্বজনাব আব্দুস সবুর মিয়া (বিএলএফ), মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, কাইয়ুম হুসেন, অলক চৌধুরী, আব্দুল মোনেম, হাবিবুর রহমান, মাহমুদুল্লাহ, আবু সুফিয়ান, শফিকুল ইসলাম, মোঃ আব্দুস সবুর, মোঃ লিয়াকত আলী খান, মোঃ আসাদুর রহমান খান প্রমুখ।
প্রেসবিজ্ঞপ্তি




