sliderউপমহাদেশশিরোনাম

‘৬০০ মাদরাসা বন্ধ করেছি, এ বছর আরো ৩০০ করব’

কর্ণাটকে হিন্দুত্ববাদী অঙ্কে ভোট জেতা যায়নি। তবে প্রতিবেশী রাজ্য তেলাঙ্গানাতেও একই অঙ্ক কষছে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। কর্ণাটকে ভরাডুবির এক দিন পরই তেলাঙ্গানার করিমনগরে গিয়ে ‘লাভ জিহাদ’, ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ নিয়ে মুখ খুললেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আসামে আরো ৩০০টি মাদরাসা বন্ধ করে দেব এ বছর।’

তেলাঙ্গানা বিজেপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য বন্দি সঞ্জয় কুমারের আয়োজিত ‘হিন্দু একতা যাত্রা’য় অংশ নিয়েছিলেন হিমন্ত। করিমনগরের সেই সভা থেকেই হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে টার্গেট করে কথা বলেন হিমন্ত।

এ বছরের শেষের দিকেই অনুষ্ঠিত হবে তেলাঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচন।

‘হিন্দু একতা যাত্রা’র সভামঞ্চ থেকে হিমন্ত বলেন, ‘আমরা আসামে লাভ জিহাদ বন্ধ করার জন্য কাজ করছি। আমরা রাজ্যের মাদরাসাগুলো বন্ধ করার জন্যও কাজ করছি। আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর আসামে ৬০০ মাদরাসা বন্ধ করে দিয়েছি। আমি ওয়াইসিকে বলতে চাই যে আমি এ বছর আরো ৩০০টি মাদরাসা বন্ধ করে দেব।’

এর আগে কর্ণাটকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বেলাগাভিতে হিমন্ত বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে লোকজন আসামে এসে আমাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। আমি ৬০০টি মাদরাসা বন্ধ করেছি এবং আমি বাকি সব মাদরাসাও বন্ধ করে দিতে চাই। কারণ আমরা মাদরাসা চাই না। আমরা চাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়।’

এদিকে, করিমনগরের সভায় হিমন্ত দাবি করেন, দেশে ইউনিফর্ম সিভিল কোড কার্যকর করা হবে এবং বহুবিবাহের অবসান ঘটবে। তিনি বলেন, ‘ভারতে এমন কিছু লোক আছে যারা ভেবেছিল তারা চারজন নারীকে বিয়ে করতে পারে। কিন্তু আমি তাদের বলতে চাই, তুমি চারটা বিয়ে করতে পারবে না। সেই দিন শেষ হতে চলেছে। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন ভারতে ইউনিফর্ম সিভিল কোড আসতে চলেছে। ভারতকে সত্যিকারের ধর্মনিরপেক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তোলার সময় এসেছে।’

এদিকে, রোববারের সভা থেকে তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকেও আক্রমণ করেন হিমন্ত। কেসিআর-কে ‘রাজা’ বলে সম্বোধন করে তিনি বলেন, ‘রাজার আর মাত্র পাঁচ মাস বাকি। তেলাঙ্গানায় আমাদের রাম রাজ্য দরকার এবং এটাই আমাদের লক্ষ্য। হিন্দু সভ্যতার ভিত্তিতে তেলাঙ্গানাকে রাম রাজ্য হিসেবে গড়তে হবে।’

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button