sliderখেলাশিরোনাম

১৪ বছর পর ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মোহামেডান

পতাকা ডেস্ক : এক সময় শিরোপা জেতাই ছিল ক্লাবটির নিত্য ঘটনা। সেই মোহামেডান সর্বশেষ কোনো আসরের ফাইনালে খেলেছে তা জানতে ঘাটতে হয় ফাইল পত্র। মঙ্গলবার গোপালগঞ্জের শেখ মনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফেডারেশন কাপের প্রথম সেমি ফাইনালে শক্তিশালী বসুন্ধরা কিংসকে ২-১ গোলে হারিয়ে আবার ফাইনালে ঐতিহ্যবাহী দলটি। তা ১৪ বছর পর। সর্বশেষ তাদের শেষ দুইয়ে খেলা ২০০৯ সালে।

বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে বহু দিন পর কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল সাদা-কালো শিবির। তারা শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ১৬ মে ঢাকা আবাহনী ও শেখ রাসেলের মধ্যকার জয়ী দলের বিপক্ষে। ৩০ মে ফাইনাল কুমিল্লায়।

ফেডারেশন কাপে মোহামেডান ১০ বারের চ্যাম্পিয়ন। অথচ তারা টুর্নামেন্টটিতে গত ১৩ বছর ফাইনালেই খেলতে পারেনি।

২০০৯ সালে অবশ্য চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ঢাকা আবাহনীকে হারিয়ে শিরোপাও জিতেছিল মোহামেডান। গোলশূন্য ম্যাচ শেষে টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে জয় তাদের। ফেডারেশন কাপের বাইরে মতিঝিল ক্লাব পাড়ার দলটি ২০১৩ সালে সর্বশেষ সুপার কাপে এবং ২০১৪ সালে স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে খেলেছিল ও ট্রফিও জয় করে।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আলফাজ আহমেদদের কোচিংয়ে দলটিতে যে পরিবর্তন এসেছে, তার নজির তারা লিগেরই রেখেছে। এখন তারা পাঁচ নম্বরে থাকলেও এক ম্যাচ আগেও ছিল তিনে।

প্রিমিয়ারে আগমনের পর থেকেই বসুন্ধরা কিংস মানেই চ্যাম্পিয়ন। ২০১৮ সালের ফেডারেশন কাপ এবং গত বছর স্বাধীনতা কাপেও ফাইনালে হেরেছিল তারা আবাহনীর কাছে। আর গত বছর ফেডারেশন কাপে বসুন্ধরা অংশ নেয়নি কমলাপুর স্টেডিয়ামের টার্ফ বাজে থাকার অভিযোগ তুলে। ফুটবলের এ শক্তির ফাইনালের আগেই বিদায়টা এবারই প্রথম।

মোহামেডান অবশ্য সবসময়ই বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে ভালো খেলে। মঙ্গলবার তারা ম্যাচের তিন মিনিটেই বল পাঠায় অস্কার ব্রুসোন দলের জালে। মেহেদীর লম্বা থ্রো বক্সে পেয়ে বল জালে পাঠান ব্রাজিলের রজার অলিভিয়েরা। ৪৩ মিনিটে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বসুন্ধরাকে সমতায় ফেরান ব্রাজিলিয়ান ডরিয়েলটন গোমেজ।

বিরতির পর কোচ আলফাজ দুই ফুটবলার জাফর ইকবাল ও শাহরিয়ার ইমনকে মাঠে নামান। এতে মোহামেডানের আক্রমণের গতি বাড়ে। এর সুফলও পেয়েছে ৫৫ মিনিটে। ম্যাচ সেরা নাইজেরিয়ান ইমানুয়েল সানডের দেয়া বলে দলকে এগিয়ে নেন মালির সোলেমান দিয়াবাতে। এরপর বসুন্ধরার ম্যাচে ফিরতে না পারার নেপথ্য ইনজুরির জন্য রবসন রবিনহোর অনুপস্থিতি। ছিলেন না স্ট্রাইকার মতিন মিয়াও।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button