sliderস্থানিয়

১০ বছর ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ফজলুর রহমান ফিরতে চায় স্বাভাবিক জীবনে

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি: এক সময়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করে সংসার চালানো ফজলুর রহমান এখন মরণব্যধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ দশ বছর ধরে লড়াই করে চলছে তার জীবন। করতে পারে না কোন খাওয়া দাওয়া বলতে পারে না কথা তাকিয়ে থেকে ইশারায় বলেন সব কিছু।

নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নটখানা দাস পাড়ার বাসিন্দা ফজলুর রহমান দীর্ঘ দশ বছর ধরে মরণব্যধি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে পড়ে আছে বিছানায়, অর্থের অভাবে করতে পারছে না চিকিৎসা। অন্যের বাড়িতে কাজ করে আনা অর্থে কোন রকমে চলছে তার পরিবার ।

সরজমিনে গিয়ে কয়েকজন স্হানীদের সাথে কথা হলে তারা জানান ফজলুর রহমান একসময় স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলো রিকশা চালিয়ে আনা অর্থে তার পরিবার চলতো খুব ভালো কিন্তু হঠাৎ করে তিনি মরণব্যাধি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন, দীর্ঘ দশ টি বছর ধরে তিনি এই ক্যান্সার রোগের সাথে লড়াই করে জীবন যাপন করছে, বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করেও হতে পারেনি সুস্থ।

মেরিনা বেগম নামে এক প্রতিবেশি জানান ফজলুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে আছে তার চিকিৎসা করার জন্য তার দুই ছেলে সব কিছু শেষ করে দিয়েছে এখন শুধু তাদের বসত ভিটে টুকু ছাড়া আর কিছুই নেই, তার দুই ছেলে অন্যের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের বাবার চিকিৎসা চালিয়েছে এখন তারা সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করবে না নিজের বাবার চিকিৎসা করবে না সংসার চালাবে তারা দুচিন্তায় পড়ে আছে তাই কোন সহ্যদয়বান ব্যক্তি যদি তাদেরকে একটু আর্থিক সহযোগিতা করে তাহলে পরিবার টির খুব ভালো হয়।

ফজলুর রহমানের বড় ছেলে সেলিম হোসেন বলেন আমার বাবা দীর্ঘ দশ টি বছর ধরে ক্যান্সারের লড়াই করে বেচে আছে আমি এবং আমার ছোট ভাই বাবার চিকিৎসার জন্য সবকিছু শেষ করে দিয়েছি এখন আমাদের বসতভিটে টুকু ছাড়া আর কিছুই নেই, এই বসতভিটা টুকুর ও টাকা নিয়ে বাবার চিকিৎসা চালিয়েছে যাচ্ছি এখন ভিটে টুকুর টাকা শেষ হয়ে গেলে কিভাবে বাবার চিকিৎসা চালাবো তা নিয়ে দুচিন্তায় পড়ে আছি, এখন শুধু গায়ের রক্ত বিক্রি করে বাবার চিকিৎসা করানো ছাড়া আর কোন অর্থ নেই আমাদের তাই আমি দেশ বাসির কাছে অনুরোধ করে বলছি আমার বাবার চিকিৎসা চালিয়েছে যাওয়ার জন্য আপনারা যে যা পারেন আমার চিকিৎসার জন্য দিয়ে একটু পাশে দাড়াবেন।

এবিষয়ে পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন তারা আমার কাছে এসেছিলো যতটুকু পেরেছি আমি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিশেছি এবং সেই পরিবার টি যেন সরকারি সহায়তা পায় সেজন্য আমি জেলার উর্ধতন কর্মকর্তার কথা বলবো।
ফজলুর রহমানের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নাম্বার : ০১৭০১৫৯৪২০৮

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button