জাতীয়শিরোনাম

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ হতাশ

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, হতাশ মনে নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের বিদায় নিতে হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে আমাদের হৃদয়ের অনুভূতির কথা বলেছি। তবে, আলোচনায় সমস্যার সুরাহা করতে পারিনি।
রানা দাশগুপ্ত বলেন, সরকারের হিসাব অনুযায়ী ২৯ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা। আমরা বলার চেষ্টা করেছি, ২৯ জানুয়ারি সাড়ে ১০টার পর থেকে শ্রী পঞ্চমী তিথি শুরু হবে। তারপর দিন ৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে তিথির অবসান ঘটবে। নিয়ম হলো, শ্রী পঞ্চমী তিথির সকালবেলা সূর্যোদয়ের পর সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এটাই ধর্মীয় শাস্ত্রীয় রীতিনীতি বা বিধান।
তিনি বলেন, ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন হলে পূজা হবে কোথায়? আমাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবের সাথে পূজা হয়। নির্বাচন হলে কী করে পূজার্চনা করবে? তাহলে নির্বাচন হলে তো পূজা হবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আহ্বান জানিয়ে রানা দাশগুপ্ত বলেন, নির্বাচন কমিশনের কথা হলো মন্ত্রিপরিষদে যেহেতু সিদ্ধান্ত হয়েছে ২৯ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা, মন্ত্রিপরিষদ এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে এখান থেকে তারা পিছু হটতে পারবেন না।
এর আগে, সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। তারা ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি বাদে যে কোনো দিন নির্বাচন করার আহ্বান জানায় তারা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button