রুমায় কাজুবাদাম চাষিরা ন্যায্য মূল্যে না পাওয়ায় হতাশ

লোঙা খুমী : রুমা দীর্ঘদিন ধরেই অনেক চাষী এই কৃষি পন্য কাজুবাদাম উপর চলতি মৌসুম গুলোতে আয় উপার্জন হিসেবে বেছে নিয়েছে । কিন্তু এই যেন মরন ফাঁদ ২০২০ বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর পরিস্থিতি চাষিদের জন্য বিপর্যয়ের বছর বলে অনেকেই অভিহিত করেছেন । রুমা প্রতিনিধি চাষিদের সাথে কৌশলগত বিনিময়ে মুনলাই বম পাড়ার স্যামুএল বম ও বতটলি মার্মা গ্রামের কাজুবাদাম চাষি মংনা মার্মা তারা বলেন, বিগত বছর গুলোতে আমরা প্রতি মনে ৪৫০০/৫০০০ টাকা করে বিক্রি করে থাকি । কিন্তু ২০২০ সালটা যেন কাজুবাদাম চাষীদের অনেক হতাশা গ্রস্ত করেছে ! মাত্র প্রতি মনে ১৬০০/১৮০০ করে বিক্রি করতে হয়েছে । তাতেও অতি লাভের আশায় রুমা বাজারে কিছু সিন্ডিকেট ব্যবসায়িক নিতে অপারগতা প্রকাশ করে আসছে । সৌভাগ্য ক্রমে BSRM নামে কাজুবাদাম কোম্পানির রুমা প্রতিনিধি (শৈহ্লাচিং মার্মা সভাপতি রুমা প্রেসক্লাব) সাথে যোগাযোগ করে আমরা উনাকে রুমা বাজারে সিন্ডিকেট অসাধু ব্যবসায়ীক তুলনামূলক কিছু ভালো মুল্য বিক্রি করতে পেরেছি । তাতে চাষিরা কিছুটা হলেও সিন্ডিকেট গ্রুপ থেকে রেহাই পেয়ে স্বস্তি বোধ করেছে । কাজুবাদাম গুণাগুণ সভ্য/উন্নয়নশীল দেশের কৃষি পন্যের হিসেবে ১তম স্থান গন্য হলেও বাংলাদেশের এটিকে কয়েকটি বছর আগে কৃষি পন্য হিসেবে গণনা করেনা । বর্তমানে কাজুবাদাম একটি লাভজনক কৃষি পন্যের হওয়ায় সরকার কর্তৃক বিভিন্ন কোম্পানি মাধ্যমে চাষীদের উপর কাজুবাদাম চাষের উপর প্রশিক্ষণ সহ ভাল মানের ফলন সংগ্রহে উৎসাহিত দিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিয়মিত কাজুবাদাম চাষিদের সাথে ব্যবস্থাপনার চাষের উপর যোগাযোগ রাখতে পারলে পার্বত্য অঞ্চলে এটি চাষের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনাময় স্থান কেড়ে নিবে ।




