
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, আজকে রাস্তায় নামা কোনও অসাংবিধানিক নয়, আইন বিরোধীও নয়। রাষ্ট্র ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণ রাষ্ট্র ক্ষমতার পালাবদল হওয়ার শর্তে তারা আজ অত্যাচারিত।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে হাইকোর্টের সামনে রাস্তা অবরোধ করে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নোমান বলেন, আমরা কোনও কথা বলতে পারি না। বললে অপরাধ হয়ে যায়। কিন্তু সরকারের নেতারা ক্যাসিনোর সঙ্গে সম্পর্কিত থাকলেও কোনও অপরাধ হয় না।
হাইকোর্টের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী, যা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে বলে দাবি করে নোমান বলেন, বিরোধীদল হিসেবে আমরা এ নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতেই পারি। এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আন্দোলন থেকেই বলতে চাই, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হোক।
দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে বলে দাবি করে নোমান বলেন, সরকারকে তা রোধে আহ্বান জানাচ্ছি।
বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিশাল মিছিল করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে বিএনপির নেতাকর্মীদের স্লোগান আর পদচারণায় প্রকম্পিত হয় প্রেসক্লাব, হাইকোর্টসহ আশপাশের এলাকা।হঠাৎ দুপুরে হওয়া এ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
মিছিলে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন। হাইকোর্টের দ্বিতীয় গেটসহ আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নেতাকর্মীরা হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
দুপুর ২টার দিকে পুলিশের রমনা জোনের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা মৎস্য ভবন থেকে এসে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে মিছিল থেকে কয়েকজন ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এরপর নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাব, নয়াপল্টন হয়ে চলে যায়।
পূর্বপশ্চিম



