আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে যে চার শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে চীনের

এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুল্ক আরোপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দুইটি দেশ পরস্পরের ওপর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, তবে সবচেয়ে আঘাতগুলো এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকেই।

গত জানুয়ারি মাস থেকে, চীনের কয়েকশো পণ্যের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।

যদিও মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করে পাল্টা জবাব দিয়েছে বেইজিং, তবে এশিয়ার এই সুপার পাওয়ারের আরো চারটি অস্ত্র রয়েছে, পরিস্থিতি খারাপের দিকে গড়ালে যা হয়তো তারা ব্যবহার করতে পারে।

 

১.আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তোলা

এজন্য বেশ কয়েকটি পন্থা রয়েছে। কোন সরকার হয়তো কাস্টমস ব্যবস্থা কঠোর করে তুলতে পারে, নতুন আইন বা বিধিনিষেধ জারি করতে পারে এবং ভৌগলিক সীমার মধ্যে কর্মরত আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর খরচ বাড়িয়ে দিতে পারে।

সিরাকুজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যারি লভলি বিবিসি মুন্ডুকে বলেছেন, ”এ ধরণের ব্যবস্থা নেয়ার অতীত ইতিহাস রয়েছে চীনের, যা পরিষ্কারভাবে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য উদ্বেগের একটি বিষয়।”

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন, যাদের যৌথ জিডিপির পরিমাণ ৩৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন, যাদের যৌথ জিডিপির পরিমাণ ৩৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার

”কিন্তু এরকম যেকোনো পদক্ষেপের ফলে উভয় পক্ষকে বড় মূল্য দিতে হবে। এটা হয়তো রপ্তানিকারক বা বিনিয়োগকারীদের আমেরিকায় বা চীনের বাজারের প্রতি নিরুৎসাহিত করবে। এর ফলে প্রতিযোগিতা কমে যাবে, পণ্যের দাম বাড়বে এবং ভোক্তাদের বিকল্প পণ্য পাওয়ার সুবিধা কমে যাবে” তিনি বলছেন।

২. যুক্তরাষ্ট্রকে একঘরে করে তোলা

যুক্তরাষ্ট্রে যেমন একজন ব্যক্তি শুধুমাত্র দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে পারেন, চীন সম্প্রতি তাদের নিয়ম পাল্টেছে। ফলে খুব তাড়াতাড়ি ফলাফল পাবার জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শী জিনপিংয়ের অতটা তাড়াহুড়ো না করলেও চলবে।

তার প্রশাসন হয়তো আস্তে আস্তে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বা জোট গড়ে তুলতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে একঘরে করে ফেলবে।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, ইউরোপ, এশিয়া আর ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর প্রতি মনোযোগ বাড়িয়ে বেইজিং এর মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

শী জিনপিং এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো শী জিনপিংয়ের প্রেসিডেন্সির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button