মুমিনুল-মোসাদ্দেকের ব্যাটিংয়ে ফলো অন এড়ালো বাংলাদেশ
মুমিনুল হক-মোসাদ্দেকের ব্যাটিংয়ে ফলো অন এড়িয়েছে বাংলাদেশ। তবে এখনো কাটেনি হারের শঙ্কা। কারণ ১৪৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে টাইগাররা।
চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান করতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসেন সাকিব-মুশফিকরা। শেষপর্যন্ত কোনোমতে ফলো অনের লজ্জা এড়ায় বাংলাদেশ।
এর আগে টেস্টের প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৪২ রানের বিশাল স্কোর গড়ে তোলে আফগানরা। জবাবে খেলতে নেমে ৮ উইকেটে ১৯৪ রান করে দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ। ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন মোসাদ্দেক। আর ১৪ রান করে অপরাজিত আছেন তাইজুল।
মূলত আজ রশিদ খানের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয় বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই শূন্য রানে শুরুতেই বিদায় নেন সাদমান।
এরপর নবির বলে সৌম্য সরকার এলবিডব্লিউ হন। ফেরার আগে ৬৬ বলে করেন ১৭ রান। দুই অঙ্ক ছোঁয়া ইনিংসগুলোর মধ্যে সৌম্যর সবচেয়ে মন্থর টেস্ট ইনিংস এটিই।
লিটন দাসকে দিয়ে তাণ্ডব শুরু করেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। নিজের প্রথম ওভারেই লিটন দাসকে বোল্ড করেন তিনি। ৬৬ বলে ৩৩ রান করেন লিটন দাস।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে আসা সাকিব আল হাসান টেস্টে ভালো করতে পারেননি। রশিদ খানের ঘূর্ণির কাছে তাকে হার মানতে হয়। ২০ বলে ১১ রান করে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন।
সাকিবের বিদায়ের পর বড় ভরসা ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু তিনি মাঠে এলেন আর গেলেন। দুই বল খেলে শূন্য রানেই সাজঘরের পথ ধরেন। রশিদ খানের বলে তিনি ক্যাচ আউট হন।
এক ওভারেই বাংলাদেশের সেরা দুই ব্যাটসম্যান সাকিব ও মুশফিককে ফেরালেন রশিদ। স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান করতেই ৫ উইকেট শেষ বাংলাদেশের।
এই পরিস্থিতিতে চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। বিরতির পর এবার রশিদ খানের তাণ্ডবের মুখে পড়েন মাহমুদউল্লাহ। ১৩ বলে মাত্র ৭ রান করেই বোল্ড হন তিনি।
দল যখন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে তখন হাল ধরতে চেষ্টা করেন মুমিনুল হক। তার ব্যাটিংয়ে কিছুটা এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফেরার আগে ৭১ বলে ৫২ রান করেন। তার ইনিংসে বাউন্ডারি ছিল ৮টি।
এরপর কায়েসের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মিরাজ। তিনি ৩১ বলে করেন ১১ রান।




