
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বুধবার ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল চৌধুরীর আদালতে তোলা হলে তাকে দণ্ডাদেশ পড়ে শোনান বিচারক। পরে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন তিনি।
জেলা ও দায়রা জজ পিপি আবদুল মান্নান বলেন, এরপর মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে পাঠানো হবে। কারা কর্তৃপক্ষ আসামিকে মৃত্যু পরোয়ানা শুনিয়ে পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে ফাঁসি কার্যকরের দিন ধার্য করবে।
আজ থেকে ২১-২৮ দিনের মধ্যে আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে মাজেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিটিসি)।
আবদুল মাজেদ জানিয়েছেন, তিনি ২০-২২ বছর ভারতের কলকাতায় পলাতক ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আবদুল মাজেদসহ ১২ আসামিকে ২০০৯ সালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
রায় কার্যকরের আগে ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান আসামি আজিজ পাশা।
এখনো বিদেশে পলাতক আছেন পাঁচজন। তারা হলেন- খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, এ এম রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেম উদ্দিন।




